আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
সৌদি শ্রম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী স্পন্সরের সম্মতি ছাড়া বাইরে কাজ করতে গেলে অনিয়মিত হিসেবে বিবেচিত হবেন প্রবাসী শ্রমিকরা। তবে স্থানান্তরিত হওয়ার ক্ষেত্রে চারটি নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি প্রশাসন। এ নির্দেশনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দেশটিতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা।
সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন বহু বাংলাদেশি। প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য নতুন কিছু নির্দেশনা জারি করেছে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, স্পন্সরের সম্মতি ছাড়া বাইরে কাজ করতে গেলে কিংবা পালিয়ে গেলে অনিয়মিত হিসেবে বিবেচিত হবেন শ্রমিকরা। তবে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হতে পারবেন কর্মীরা।
কোনো প্রতিষ্ঠানের ফাইল শ্রম অফিস বাতিল করে দিলে সেখানের শ্রমিকরা অন্য কোথাও স্থানান্তরিত হতে পারবেন। একইসঙ্গে কোম্পানির ফাইল ৩০ দিন পার হওয়ার পরও নবায়ন না করে তাহলেও শ্রমিক স্থানান্তরে আইনত কোনো বাধা থাকবে না।
নিয়োগকারী কোম্পানি লাল তালিকাভুক্ত হলে শ্রমিকরা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। চতুর্থ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান যদি ৭৫ শতাংশ কর্মীর কাজের চুক্তি প্রক্রিয়া না মেনে চলে তাহলেও তারা অন্য প্রতিষ্ঠানে যেতে পারবেন।
শ্রমিক স্থানান্তরের ক্ষেত্রে নতুন প্রতিষ্ঠানটিকে চেম্বার অব কমার্সের মাধ্যমে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে। আর এই প্রক্রিয়ার যাবতীয় খরচ বহন করতে হবে নতুন প্রতিষ্ঠানকে। সৌদি শ্রম মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দেশটিতে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীরা।
তারা বলছেন, যদি বাহিরে কোথাও কাজ করি, সেক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা আমাকে হুরুব (পালানো বলে বিবেচনা করা) দিতে পারেন। যদি একবার সেই হুরুব পাই, তবে আমরা সৌদি আরবে কখনো কোনো রকম ভিসা নিয়ে আসতে পারব না।
সৌদির বর্তমান আইন অনুযায়ী, কাউকে একবার অনিয়মিত ঘোষণা করা হলে ওই শ্রমিক ফের আর কর্মী ভিসায় দেশটিতে ঢুকতে পারবেন না।
