মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
সীতাকুণ্ড ট্রাজেডিতে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস কর্মী যশোরের গাউসুল আজম মারা গেছেন চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম ডিপো কনটেইনারে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ফায়ার সার্ভিস কর্মী যশোরের গাউসুল আজম অবশেষে মারা গেছেন।
সীতাকুণ্ডের ঘটনায় এ নিয়ে ১০ জন ফায়ার ফাইটারের মৃত্যু হলো। গত রাত ৩টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মারা যান গাউসুল আজম। বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন বলেন, গাউসুলের শরীরে ৭০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আগুনে তার শ্বাসনালী পুড়ে যায়। চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে করে ঘটনার পরদিন তাকেসহ সাত জনকে ঢাকায় আনা হয়। ওই দিনই তাকে ভর্তি করা হয় আইসিইউতে। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। তবে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে মাঝে লাইফ সাপোর্ট খুলে নেয়া হয়েছিল। কিন্তু সর্বশেষ তার অবস্থার আবারও অবনতি হয়।
গাউসুলের ফুপাতো ভাই কোরবান আলী বলেন, দুই ভাইবোনের মধ্যে গাউসুল ছোট। ২০১৮ সালে ফায়ার ফাইটার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন গাউসুল। বিয়ে করেছেন মাত্র দুই বছর হয়েছে। তার স্ত্রীর নাম কাকলী আক্তার। সিয়াম নামে ৬ মাস বয়সী একটি ছেলে রয়েছে তাদের সংসারে। গাউসুল গ্রামের বাড়ি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার খাটুয়াডাঙ্গা গ্রামে।
স্বজনরা জানান, সীতাকুণ্ড ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন গাউসুল। সেদিন আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তারা ছুটে যান আগুন নেভাতে। সেখানেই বিস্ফোরণে দগ্ধ হন গাউসুল।
