হোম রাজনীতি সিলসহ গ্রেপ্তার ব্যবসায়ীর স্বীকারোক্তি, জামায়াত নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

সিলসহ গ্রেপ্তার ব্যবসায়ীর স্বীকারোক্তি, জামায়াত নেতাকে খুঁজছে পুলিশ

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 12 ভিউজ

নিউজ ডেস্ক:
লক্ষ্মীপুরে ভোটের সিলসহ গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে সিল তৈরির নির্দেশদাতা জামায়াত নেতা শরীফ হোসেন সৌরভের নাম প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল আহাদ শাকিল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এপিপি মো. আব্দুল আহাদ শাকিল বলেন, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আসামি সোহেল অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল হকের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। সেখানে তিনি সিল তৈরির নির্দেশদাতা শরীফের নাম প্রকাশ করেছেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী আসামির স্বীকারোক্তি ও জামায়াত নেতার সম্পৃক্ততার কথা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ৬টি সিলসহ ব্যবসায়ী সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই সদর মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বাদি হয়ে দুইজনের নামে মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃত সোহেল রানাকে বুধবার বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। সোহেল স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, শরীফ হোসেন সৌরভ নামে এক ব্যক্তি তাকে দিয়ে সিলগুলো বানিয়েছে। আমরা তাকে খুঁজছি।

সিল তৈরির নির্দেশদাতার রাজনৈতিক দলের পরিচয় জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা এটা ভেরিফাই করছি। তাকে আটকের পর ব্যাকগ্রাউন্ডটা পাব। আমরা তার কিছু ছবি পেয়েছি, শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছি। তাকে আটকের পর বলা যাবে সে কোন দলের সদস্য। সিল বানানোর মানেই হচ্ছে জাল ভোট দেওয়ার প্রবণতা। আমাদের তদন্ত চলছে। আসামিকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আটকের পর সোহেল জানান, গত ৩০ জানুয়ারি তার হোয়াটসঅ্যাপে সিলগুলো তৈরির অর্ডার দেয় শরীফ। যিনি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক। এ ঘটনায় পুলিশ ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পরে শরীফকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানায় জেলা জামায়াত।

লক্ষ্মীপুর পৌর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান বলেন, সৌরভ ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী। এ ঘটনার পর তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার লক্ষ্মীপুর শহরের পুরাতন আদালত সড়কের ‘মারইয়াম প্রিন্টার্স’ নামক একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক সোহেল রানাকে আটক করে সদর থানা পুলিশ। সে সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের খুরশিদ আলমের ছেলে। আরেক আসামি শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ও দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে।

তথ্যসূত্র: ঢাকা পোস্ট

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন