হোম অন্যান্যসারাদেশ সাবেক স্বামীর ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে সহকারী অধ্যাপকের সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরায় সাবেক স্বামীর ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে এক সহকারী কালেজ অধ্যাপকের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ জুলাই ২০২২ রবিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আবদুল মোতালেব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কলারোয়া শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রী কলেজে দীর্ঘদিন পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে ফাতিমা নার্গীস লিখিত অভিযোগে বলেন, তিনি শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রী কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে সহকারী অধ্যাপক। তার স্বামী কলারোয়ার কুশোডাঙ্গা গ্রামের মৃত ইছাহক সরদারের ছেলে মফিজুর রহমান একই কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

তিনি বলেন আমার মা একজন অবসরপাপ্ত প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবনে প্রাক্তন স্বামী মফিজুর রহমানের দ্বারা শারীরিক, আর্থিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ১৭ ফেব্রæয়ারি ২০২২ তারিখে তাকে আদালতের মাধ্যমে তালাক দিয়েছি। বর্তমানে মফিজুর আমার মায়ের অবসর জীবনের সকল অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিয়ে তার বাড়িতে আটকিয়ে রেখেছে। আমার কোন ভাইবোন না থাকায় সেখান থেকে আমার মাকে উদ্ধার করতে পারছি না।

এছাড়া তিনি অভিযোগে আরও বলেন, মফিজুর রহমান একজন নারীলোভী, সুদখোর ও অসৎ চরিত্রের মানুষ। কৌশলে তার নিজ নামীয় কলেজের বেতনের চেক বই আত্মসাত করে সেই চেক ডিজঅর্নার করে তার রিরুদ্ধে পাঁচটি মিথ্যা চেকের মামলা করেছে। তিনি অভিযোগে আরও বলেন, তার বড় মেয়ে রিফাত হুমায়রা রহমান প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাকে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র মফিজুর রহমান শফিকুল ইসলাম, তার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম, শ্বশুর কাবিল এবং তার (ফাতিমা নার্গীস) সাতক্ষীরা আদালতে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতনের মামলা করেছে। ওই মামলায় তিনি তার মেয়ের জামাই শফিকুল ইসলাম বাদে সবাই জামিনে আছেন। এবং মেয়ে রিফাত হুমায়রা রহমানকে আদালত আমার জিম্মায় দিয়েছেন।

এ ঘটনায় মফিজুর রহমান তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন এবং অর্থসম্পদ আত্মসাত করতে সাতক্ষীরা আমলী-(৪) (কলা) আদালতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনে সিআর-১৭/২২(কলা) এবং নারী ও শিশু আদালতে ২২২/২২নং মামলায় আমাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আসামী শ্রেণিভুক্ত করেছে। ঘটনার দিন সাতক্ষীরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে বের হয়ে আসার সময় ক্ষিপ্ত হয়ে মফিজুর রহমান আক্রোশবশত তাকে অপহরণ করার চেষ্টা করে। গত ২৮ জুলাই ২০২২ তারিখে দৈনিকসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও অনলাইনে এপিপি এ্যাডভোকেট সাইদুজ্জামান জিকোকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভূয়া, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। সাইদুজ্জামান জিকো আমার কোনো মামলার আইনজীবী নয়। ওইদিন আমি ও আমার মেয়ের স্বামী, তার ভাই ও তাদের বাবা আদালত কক্ষ থেকে জামি নিয়ে বের হওয়ার সময় আদালতের বারান্দায় মফিজুর রহমান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী সাইদ হোসেন, রোকনুজ্জামান, লোকমান হাকিম, কবিরুল ইসলাম, ওমর ফারুক আমাকে ও আমার বড় মেয়েকে অপহরণ করার উদ্দেশ্যে অতর্কিতে আক্রমণ করে টানাহেচড়া করে এ সময় এপিপি এ্যাডভোকেট সাইদুজ্জামান জিকো আমাদেরকে রক্ষা করেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন