হোম অন্যান্যকৃষিবার্তা সাতক্ষীরায় খরচ বৃদ্ধিতে দুশ্চিন্তায় বোরোচাষি

সাতক্ষীরায় খরচ বৃদ্ধিতে দুশ্চিন্তায় বোরোচাষি

কর্তৃক
০ মন্তব্য 624 ভিউজ

বিশেষ প্রতিবেদক:

সাতক্ষীরায় কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। আগাছা দমন, সেচ ও সার প্রয়োগসহ পোকার আক্রমণ বোরো ধান থেকে রক্ষা করতে এক্ষেত্রে তারা বিভিন্নমুখী উপায় ও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কিন্তু উৎপাদন খরচ বেশি হওয়াটা কৃষকদের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ। পাশাপাশি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ধান চাষে লাভের মুখ দেখবে এমনটায় আশা কৃষকদের।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ (খামারবাড়ি) সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৭৩ হাজার ৮৬২ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আবাদ হয়েছে আরও বেশি। এবার জেলায় বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন লাখ ৬২৬ টন।

চলতি সপ্তাহে মাঠপর্যায়ে সারের দাম কেজিতে এক থেকে দুই টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে কৃষকরা জানিয়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা দাবি করেছে চলতি সপ্তাহে বস্তা প্রতি ৩০ থেকে ৪০ টাকা সারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সরবরাহ কম থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ করছে সার ডিলাররা। বিঘা প্রতি ধানের উৎপাদন খরচ প্রায় ১৭ হাজার টাকা। বাজারমূল্যে কৃষকরা বিঘাপ্রতি ধানের দাম পান ১৮ হাজার টাকা।

জেলা খামারবাড়ি সূত্রমতে, এ বছর সদর উপজেলায় ২৩ হাজার ৮৫০ হেক্টর, কলারোয়া উপজেলায় ১২ হাজার ২৮০, তালা উপজেলায় ১৮ হাজার ২০০, দেবহাটা উপজেলায় ছয় হাজার ৩০, কালীগঞ্জ উপজেলায় পাঁচ হাজার ৩৪০, আশাশুনি উপজেলায় ছয় হাজার ৫১০ ও শ্যামনগর উপজেলায় এক হাজার ৩৮৬ হেক্টর জমিতে বোরো জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে।

জেলা খামারবাড়ি সূত্র আরও জানা যায়, এ বছর সাতক্ষীরা জেলায় তিন হাজার ৬৯৩ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও অর্জিত হয়েছে চার হাজার ৫৯৫ হেক্টর জমিতে।

সাতক্ষীরা খামারবাড়ির উপপরিচালক অরবিৃন্দ মৃধা জানান, জনবল সংকটের কারণে সব কৃষকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। তবে বিভিন্ন প্রসপেকটাস, কৃষিমেলার আয়োজনসহ বিভিন্নভাবে কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে থাকে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদী।

 

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন