নিজস্ব প্রতিনিধি :
সারাদেশে ক্যাসিনো-জুয়া বন্ধে সরকার তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ১১নং দেয়াড়া ইউনিয়নের পাটলি গ্রামের ঘোষপাড়ায় চিত্রর ঘেরের পাশে কাপালির বাঁশ বাগানে দিন-রাত প্রকাশ্যেই জুয়ার আসর চলছে। এ জুয়ার আসর দিনে-রাতে দূর-দূরন্ত থেকে লোক সমাগম হচ্ছে। যশোর ও সাতক্ষীরার কালিগজ্ঞ,শ্যমনগর,আশাশুনি বিভিন্ন থানা থেকে জুয়াড়ীরা এসে খেলায় অংশগ্রহন করছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীসহ সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে অতিবিলম্বে জোয়ার আসর ভেঙে গুরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে মাটসিয়া গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলাম (নেদা), মৃত্য টেটি গাজী ছেলে মোঃ আনিসুর রহমান , মৃত্য: আকছেদ মোল্লার ছেলে শফি মোল্লা নেতৃত্বে এ রমরমা জুয়ার আসর চলছে। পাশাপাশি মাদক সেবনও করে থাকে খেলতে আসা জুয়াড়িরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এখানে খেলতে আসা বেশিরভাগই নিম্নআয়ের মানুষ।
দূর দূরস্থ থেকে বিত্তশালী বহিরাগতদের নিয়ে দিন-রাত লক্ষ লক্ষ টাকার বাঁজি ধরে তাসের আড্ডা বসিয়ে চলছে বাণিজ্য। সেই সাথে চলছে মাদক সেবনের মহা উৎসব নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক খেলতে আসা এক জুয়াড়ি জানান, স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা ও থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে খেলা চলে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের ব্যক্তিরা জানান, প্রকাশ্যেই দিন-রাত জুয়ার আসর চললেও প্রশাসনের কোন তৎপরতা দেখছিনা। ইদানিং দেখা যাচ্ছে এই তাসের বোর্ডের আসর গুলোতে নামি-দামি মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার নিয়ে যুবকদের আনাগোনা আগের চেয়ে অনেক বেশি। গভীর রাত পর্যন্ত এ জুয়ার আড্ডায় দেখা যাচ্ছে। এসবের কারণে এলাকার চুরি ছিনতাই মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অপরাধ সংক্রান্ত কার্যক্রম বেড়েই চলছে। এমনভাবে চলতে থাকলে যুবসমাজ ধ্বংসের পথে চলে যাবে। এ জুয়ার কারনে পারিবারিক ভাবে বহু পরিবারের মাঝে অশান্তি বিরাজ করছে। এই জোয়ার বোর্ড পরিচালনা করে রফিকুল ইসলাম নেদা অঢেল সম্পতির মালিক বনে গেছেন।
পাটলি গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যাক্তি জানান, এখানে জুয়ার বিরুদ্ধে কথা বললে আমাদের বিভিন্নভাবে হূমকি ও প্রশাসনের ভয় দেখায় নেদা।
জুয়া পরিচালনার বিষয়ে রফিকুল ইসলাম নেদা জানান, আমি খেলা চালাচ্ছি প্রশাসন ম্যানেজ করে এখন আমি থানায় আছি পরে কথা বলছি।
এ বিষয়ে কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন মৃধার কাছে যানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয় অবগত না তবে আমি ঈদের আগে ক্যাপালি বাঁশবাগাানে তথ্য পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেছিলাম। আমি এখনি আইনি ব্যাবস্থা গ্রহন করছি । তিনি আরো বলেন মাদক জুয়ার বিরুদ্ধেজিরো টলারেন্স থাকবে কলারোয়া থানায় ।
এবিষয়ে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করে অতিবিলম্বে এ জুয়ার আসর বন্ধ করে দেওয়ার দাবি যানিয়েছেন এলাকাবাসী।
