জাতীয় ডেস্ক :
সরকারের পদত্যাগ নিশ্চিত করে তবেই ঘরে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এ জন্য দলের নেতাকর্মীদের আরও ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকতে হবে।
সোমবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। ‘বিপ্লব ও সংহতি’ দিবস উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বর দেশের মানুষের কাছে আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করার অঙ্গীকার। সেই আন্দোলন শুরু হয়েছে। আন্দোলনে এরই মধ্যে পাঁচজনকে হত্যা করা হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগীয় সমাবেশে ৩ থেকে ৪ দিন আগে হেঁটে গিয়ে অংশ নিচ্ছে নেতাকর্মীরা। তাদের একটাই দাবি: ‘শেখ হাসিনা কবে যাবি’। এই সরকারের পতন ছাড়া আমরা ঘরে ফিরে যাব না।”
তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার অভূতপূর্ব সমন্বয়ে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা হয়েছিল। নতুন করে ১৫ বছর ধরে গণতন্ত্র হরণ করে আবার স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। তবে স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম চলছে।
ফখরুল বলেন, ‘এরই মধ্যে আমরা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। অনেকে গ্রেফতার হয়ে জেলে যাচ্ছেন, নিহত হচ্ছেন। আমাদের আরও ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।’
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘১৯৭১ সালে রাজনৈতিক নেতারা যখন ব্যর্থ হয়েছিলেন, তখন স্বাধীনতা আনতে মেজর জিয়া সফল হয়েছিলেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। ১৯৭৫ সালেও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ব্যর্থতায় জিয়াউর রহমান সফল হয়ে ৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন। আজ আমাদের সেই চেতনায় দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।’
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ঢাকায় ১০ তারিখের সমাবেশের আগেই ঢাকার আশপাশে মামলা-হামলা হচ্ছে। এভাবে জনগণের আন্দোলন স্তব্ধ করা যায় না। কাউকে স্তব্ধ করার এখতিয়ার সরকারি সংস্থার নেই।
তিনি বলেন, খুব তাড়াতাড়ি ব্যাংকগুলো দেউলিয়াত্ব ঘোষণা করবে, আমানতকারীরা রাস্তায় নামবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আমানুল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এবং কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. ইবরাহিম বক্তৃতা করেন।
