জাতীয় ডেস্ক :
নিরাপদ ট্রেনযাত্রায় আতঙ্ক অজ্ঞান পার্টি। গল্পে-আড্ডায় সম্পর্ক জমিয়ে খাবার খাইয়ে লুটে নেয় টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র। গুরুতর অসুস্থও হয়ে পড়ছেন অনেক যাত্রী। চক্রের কিছু সদস্যকে চিহ্নিতের পাশাপাশি যাত্রীদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশ সুপার।
দীর্ঘ ট্রেন যাত্রায় পাশাপাশি সিটে বসা যাত্রীরাই মূলত এ সিন্ডিকেটের টার্গেট। প্রথমে কুশল বিনিময়, পরে আলাপ জমিয়ে আড্ডা। কিছু সময় পরেই ভদ্রতা দেখিয়ে খাবারের আমন্ত্রণে সাড়া দেয়া। তারপরের ঘটনা-অজ্ঞান অবস্থা থেকে জ্ঞান ফিরে আসলে বুঝতে পারেন, খোয়া গেছে সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা কিংবা মূল্যবান অনেক কিছু। অনেকে আবার নিজেকে আবিষ্কার করেন হাসপাতালের বেডে। কিছুদিন ধরে ট্রেনের অনেক যাত্রীকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনে লাকসাম যাওয়ার পথে একযাত্রী অসুস্থ হয়ে একটি সোনার চেইনসহ বেশ কিছু টাকা হারালে অনুসন্ধানে নামে রেলওয়ে পুলিশ। এ সময় ট্রেনে সক্রিয় এমন এক অজ্ঞানপার্টির সন্ধান পান তারা। আটক করেন একজনকে।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশ সুপার প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, আটক ব্যক্তির কাছ থেকে দুইজনের নাম পাওয়া গেছে। আমরা তাদের আটকে অভিযান চালাচ্ছি।
এক্ষেত্রে যাত্রীদের নিজ সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্টেশন এমনকি চলন্ত ট্রেনেও মাইকিংসহ নানা কার্যক্রমের কথা জানান রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার রতন কুমার চৌধুরী।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রতিদিন ১০টি আন্তঃনগরসহ বিভিন্ন ট্রেনে গড়ে প্রায় ১৭ হাজার যাত্রী আসা-যাওয়া করেন।
