শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি :
শ্যামনগরে ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে বন অপারাধীদের সহযোগিতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।মুন্সীগঞ্জ ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের আনারুল ইসলাম দীর্ঘ দিন ধরে হরিণ মারা থেকে শুরু করে সুন্দরবনের অভায়রণ্যে নৌকা ডোকানো সহ কাঁকড়া বন্ধের সময় কাকড়ার মারার সুযোগ করে দেওয়া কাঠ পাচারের এসকল কাজের মূল হোতা হিসাবে করে বলে জানা যায়।
ইতি মধ্যে হরিণের শিকারের সাথে জড়িয়ে পড়া একটা অডিও ফোন রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তার কথা না শুনলে হরিণের মাংস বাড়ি দিয়ে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়ে থাকে।
টেংরাখালির বাবুর বলেন, জুব্বার নামের এক ব্যাক্তিকে হরিণের মাংস দিয়ে ধরিয়ে দেওয়া হয়। জুব্বারের ধরিয়ে দেওয়ার ১০-১৫ দিন আগে আনারুল মেম্বার আমার কাছে হরিণের মাংস দিয়ে বলে জুব্বারের বাড়ির দিয়ে আসতে বলে। পরে আনারুল মেম্বার বনবিভাগের লোক জন নিয়ে জুব্বারের বাড়ি এসে তাকে ধরিয়ে দেয়।
স্থানীয় ভাবে জানা যায়, বনবিভাগের উর্ধতন কতৃপক্ষকের সাথে ভাল সম্পর্ক থাকার কারণে এধারণের কাজ করে পার পেয়ে যায় প্রতিনিয়ত।অসহায় মানুষের তার কাছে এক প্রকার জিম্মি বলে জানান তারা।এছাড়া আনারুল মেম্বরের বিরুদ্ধে ব্যাবসায়ীদের কাছে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এ ধরণের অভিযোগের বিষয় আনারুল মেম্বার বলেন, আমাকে হয়রানি করার জন্য মানুষ কে ভায় দেখিয়ে বক্তব্য নিয়ে চেয়ারম্যানের ছেলে রাসেল এগুলো ছড়াচ্ছে। আমি এধারণের অপরাধের সাথে জড়িত না।
