বাণিজ্য ডেস্ক :
রাজধানীর পশুরহাটে চলছে জমজমাট বেচাকেনা। মুহূর্তেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে ছোট ও মাঝারি গরু। তবে আজও বড় গরুর চাহিদা কম হাটগুলোতে। এদিকে, আফতাবনগর হাট পরিদর্শনে গিয়ে ১২ ঘণ্টার মধ্যে হাটের বর্জ্য অপসারণে ইজারাদারদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম।
রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। সময় কম তাই হন্য হয়ে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে আসছেন ক্রেতা। শুক্রবার রাতে সব হাটেই ছোট ও মাঝারি আকারের বেশিরভাগ পশু বিক্রি হয়ে যাওয়ায় অনেকটা পশু কমেছে আফতাবনগরে। এবার বড় গরুর চাহিদা কম, তাই অনেকটা লোকসানেই বিক্রি করতে হয়েছে বলে দাবি বিক্রেতাদের।
এদিকে বিক্রি জমজমাট গাবতলী হাটেও। সংকট হওয়ার আশঙ্কা মাথায় রেখে আরো পশু হাটে নিয়ে আসছেন খামারিরা। তবে অন্যান্য হাটের মতো গাবতলীতেও মাথায় হাত বড় গরুর মালিকদের।
এদিকে সকাল থেকেই রাজধানীর বেশ কয়েকটি হাট পরিদর্শন করেন পুলিশ প্রধান বেনজির আহমেদ। হাটে ক্রেতা বিক্রেতার আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি জানান, ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তায় যা যা করার সব করা হবে। গরুর হাটে ক্রেতা বিক্রেতার আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। এছাড়াও রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটের সার্বিক পরিস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পুলিশ প্রধান।
এদিকে কেবল ঢাকা নয়, বিভাগীয় শহর ও জেলাগুলোতেও জমে উঠেছে পশুর হাট। ক্রেতা বিক্রেতাদের হাকডাকে মুখর চট্টগ্রামের নগরীর নুর নগর হাউজিং সোসাইটির পশুর হাট। চলছে ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে দর কষাকষি। দাম তুলনামূলক অনেক বেশি হওয়ায় পছন্দমতো পশু কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা। তবে ব্যাপারিদের দাবি, গো-খাদ্যের দামের প্রভাব পড়েছে পশুর দামেও।
জমজমাট অবস্থা খুলনার পশুর হাটগুলোতে। জমে উঠেছে খুলনার সবচে বড় কোরবানির পশুর হাট জোড়াগেট পশুর হাট। তিল ধারণের ঠাঁই নেই হাটে। মাঠজুড়ে সারি সারি সাজানো নানা রঙ ও আকারের গবাদি পশু। হাটে ক্রেতাদের আগ্রহ মাঝারি আকারের গরুতে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত চার হাজার পশু বিক্রি হয়েছে। যার মূল্য ২০ কোটি টাকারও বেশি।
