হোম জাতীয় শাবনূরের মেডিকেলে ভর্তিসহ পড়ার দায়িত্ব নিলেন জেলা প্রশাসক

জাতীয় ডেস্ক :

দারিদ্র্যের কারণে থমকে থাকছে না মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পাওয়া পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের দিনমজুর বাবুল মোল্লার মেয়ে শাবনূরের।

পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা পেয়ে প্রাথমিকভাবে সে সমস্যা দূর হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান প্রাথমিকভাবে শাবনূরের ভর্তির খরচ বাবদ ২৫ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছেন। জেলা প্রশাসকের পক্ষে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন তার কার্যালয়ে শাবনূরের হাতে এই অর্থ তুলে দেন।

আর্থিক সহযোগিতা পেয়ে শাবনূর বলেন, ‘মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেয়েও আমার পথচলা অনিশ্চিত ছিল। সেটি পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সচল হয়েছে।’

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অনেকে ফোন করে তাকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশে থাকার সাহস জুগিয়েছেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভর্তি ও পড়াশোনার খরচ বাবদ নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করেছেন। এ ছাড়া নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি শাবনূরের পড়াশোনার খরচ চালাতে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

পিরোজপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানান, বিভিন্ন গণমাধ্যমে শাবনূরের ভর্তি অনিশ্চয়তার কথা জানতে পারি। এই মেধাবী মুখটি কাজে লাগাতে তার ভর্তির জন্য যাবতীয় খরচ আমি দিয়েছি। শাবনূরকে বলা হয়েছে তার পড়াশোনার যেকোনো প্রয়োজনে জেলা প্রশাসন তার পাশে আছে।

শাবনূর পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার জলাবাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কামারকাঠী গ্রামের দিনমজুর বাবুল মোল্লা ও গৃহিণী সাবিনা বেগমের বড় মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী। সেই মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায়ও। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল প্রথম বর্ষের পরীক্ষার ফলাফলে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন