হোম অর্থ ও বাণিজ্য শক্তিশালী হচ্ছে ব্রিকস, পশ্চিমাদের টেক্কা দিতে সক্ষম

বাণিজ্য ডেস্ক :

ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার সমন্বয়ে গঠিত ব্রিকস দিনকে দিন অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে। ধারণা করা যাচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে এ সংস্থাটি পশ্চিমা অর্থনীতির সঙ্গে সমান তালে টেক্কা দিয়ে চলতে পারবে।

সম্প্রতি চীনের চংইয়ং ইনস্টিটিউট অব ফিন্যান্সিয়াল স্টাডিজের অধ্যাপক ওয়াং ওয়েন সংবাদমাধ্যম আরটিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিকসের ত্বরিত বিকাশ ও রাশিয়া-চীনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিষয়ে বলতে গিয়ে ব্রিকসের সক্ষমতা নিয়ে ইতিবাচক আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ব্রিকস নিজের গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। অনেক দেশই ব্রিকসে যোগদান করতে চাচ্ছে। এর মধ্যে সৌদি আরব, ইরান ও আফগানিস্তান অন্যতম। এটি একটি নতুন সভ্যতার পথ খুলে দিচ্ছে। ধীরে ধীরে বিশ্বদরবারে ব্রিকস তার অর্থনৈতিক উন্নতির সমৃদ্ধির পথ প্রসারিত করছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর হাজারখানেক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। উদ্দেশ্য ছিল, রাশিয়ার অর্থনৈতিক ভিত্তিকে ভঙ্গুর করে তোলা, যাতে দেশটি আর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে না পারে। কিন্তু রাশিয়া-চীন-ভারত বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে পশ্চিমাদের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। উল্টো বাণিজ্য সীমাবদ্ধ করার কারণে বড় রকমের অর্থনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো।

ইউরোপের বর্তমান বাজার দেখে এটি সহজেই অনুমেয়, এতদিন ধরে বিশ্ববাজারে ধরে রাখা শান হারাতে বসেছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালির মতো দেশগুলো। এ ব্যাপরে ওয়াং বলেন, ‘পশ্চিমারা বুঝতে পারছেন না কিংবা অস্বীকার করছেন যে বাজার আর তাদের দখলে নেই। ভারত, রাশিয়া, চীন ও ব্রাজিলের মতো শক্তিধর দেশগুলো নিজের মতো করে ভাবতে শুরু করেছে, ঢেলে সাজাচ্ছে অর্থনীতিকে।’

সম্প্রতি রাশিয়ার ভ্লাদিভস্টকে অনুষ্ঠিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামে এসব কথা বলের ওয়াং ওয়েন। মূলত ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো নিজেদের মধ্যকার বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিবছর এ সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে। চলতি বছর রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতকে কেন্দ্র করে এ সম্মেলন আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন