বাণিজ্য ডেস্ক :
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জেও নির্ধারিত দামের চেয়েও কম দামে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে থেকেই তেলের দাম কমছে দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজারে। প্রতি লিটার তেলের দাম কমেছে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।
দুই মাস ধরে ক্রমাগত ঊর্ধ্ব গতিতে থাকা লাগামহীন ভোজ্যতেলের বাজার কমতে শুরু করেছে। মূলত ইন্দোনেশিয়ার রফতানি নিষেধাজ্ঞার পর থেকে সেখানে বাজার পড়তির দিকে। এছাড়া উৎপাদন বৃদ্ধি, রফতানিকারক দেশগুলোতে মজুত বাড়ার দরুন চাহিদা কমতে থাকায় ভোজ্যতেলের আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট টনপ্রতি প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার পর্যন্ত কমেছে।
খাতুনগঞ্জের মেসার্স আর এন এন্টারপ্রাইজের মালিক শাহেদ আলম বলেন, ইন্দোনেশিয়া তাদের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছে। তার ওপর চলমান অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ক্রেতা চাহিদাও কম। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ায় পাম তেলের মজুত বেড়ে যাওয়ায় দাম কমে এসেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব পড়েছে দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জেও। গত ১ সপ্তাহ ধরে সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম কমছে।
খাতুনগঞ্জের মেসার্স আব্বাস সওদাগরের ম্যানেজার জাফর আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে নাকি ডিউটি রেট কম। সে জন্য ডিউটি ব্যবসায়ীরা তেলের দাম কমিয়ে দিচ্ছে। ওদের কাছ থেকে আমরাও কম রেটে কিনে কম রেটে বিক্রি করছি।
এদিকে ঈদের আগে ঊর্ধ্বমুখী থাকা পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ৮ পর্যন্ত কমেছে। তবে কেজি প্রতি ২০ টাকা বেড়েছে আদার দাম।
