আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
লন্ডন-ঢাকা রুটে কাতার ও টার্কিশ এয়ারওয়েজের চেয়েও ভাড়া বেশি বাংলাদেশ বিমানের। আছে আসন স্বল্পতাসহ নানা বিড়ম্বনার অভিযোগও। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের।
ব্রিটেনের বাংলাদেশি প্রবাসীদের হাত ধরেই ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ আন্তর্জাতিক রুটে বিমান প্রথম ডানা মেলে। সে থেকে এখনও এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত থাকলেও অভিযোগ রয়েছে অতিরিক্ত ভাড়া ও নানা ভোগান্তির। আসন খালি থাকলেও বিমানের ভাড়া না কমারও অভিযোগ অহরহ। বেড়েছে যাত্রীদের ভোগান্তি।
ইউকে বিমান অ্যাপ্রুভড ট্রাভেল এজেন্সি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট হেলাল খান বলেন, আমি ঢাকার সঙ্গে আলাপ করে একটা অ্যাপ্রোভাল নিয়েছি ভাড়া কিছুটা কমানো যায় কিনা। যখন লো সিজন তখন ভাড়া একদম কমিয়ে নিয়ে আসব।
প্রবাসীদের দাবির কারণে বারবার বিমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভাড়া কমানোর বিষয়ে যোগাযোগ করেন লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম। যৌক্তিকতা তুলে ধরেন ভাড়া কমিয়ে প্রবাসীদের অনুকূলে সেবা প্রদানের জন্য।
লন্ডন বাংলাদেশ হাই কমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম বলেন, লন্ডন-সিলেট রুটের বিমান যেন চালু রাখা হয় এবং এটার ভাড়া যেন এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ ও টার্কিশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে তুলনা করে কমানো হয়।
এই রুটে সব সময়ই যাত্রী চাহিদা থাকলেও ভাড়া ও সেবার অভিযোগগুলো নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান বিমান বাংলাদেশ এর নবনিযুক্ত ইউকে কান্ট্রি ম্যানেজার।
বাংলাদেশ থেকে লন্ডন রুটে প্রতি সপ্তাহে ৪টি ও ম্যানচেস্টার রুটে ৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
