জাতীয় ডেস্ক :
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে থাকলে অনেকের লাভ হয়। প্রত্যাবাসন নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। সবকিছুতেই ব্যবসা করা হচ্ছে। এর বেশি রোহিঙ্গা ইস্যুতে কিছু বলতে চাই না। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সোমবার (০৪ অক্টোবর) বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেন। আর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সম্মেলনে যোগ দেন সাংবাদিকরা।
তিনি আরও বলেন, সেখানে মাদক-নারী পাচারেও জড়িয়ে পড়ছে, এছাড়া নানা ধরনের অসঙ্গতি চলছে সেখানে। শরণার্থী না পাললে, অনেক বিদেশি সংস্থার ব্যবসাই থাকবে না৷ তাদের পালন করাটাই একটা ব্যবসা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাসংকট সম্পর্কে আমি আবারও বিশ্বনেতাদের স্মরণ করিয়ে দেই যে, রোহিঙ্গা সংকটের সৃষ্টি মিয়ানমারে, সমাধানও রয়েছে মিয়ানমারে। রাখাইন রাজ্যে তাদের মাতৃভূমিতে টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমেই কেবল এ সংকটের স্থায়ী সমাধান হতে পারে।
সরকারপ্রধান বলেন, মিয়ানমারের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা; রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে আশিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি জাতিসংঘ উন্নয়ন সহযোগীদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে কার্যকর; রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত সহিংসতা ও জাতিগত নিধনের বিচার নিশ্চিত করতে আইসিজেসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে চলমান প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই।
শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে যোগদান এবং বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের ইভেন্টে অংশগ্রহণের জন্য গত ১৯ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থান করেন। পরে ২৫ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান শেষে ১ অক্টোবর দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
