হোম জাতীয় রাজধানীতে নাচ শেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে নারী পাচার

জাতীয় ডেস্ক :

ড্যান্স কামরুল ওরফে ডিজে কামরুল ২০০১ সালে ঢাকায় আসেন। যার আড়ালেই চলতো নারী পাচার। এ পর্যন্ত শতাধিক নারীকে ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যে পাচার করেছে চক্রটি।

শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর মিরপুর, উত্তরা ও তেজগাঁও থেকে ডিজে কামরুলসহ দুটি মানবপাচারকারী চক্রের ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এসময় বিদেশে পাচার হতে যাওয়া ২৩ নারীকেও উদ্ধার করা হয়।

উন্নত জীবনযাপন ও মোটা অংকের বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নারী সংগ্রহ করত ড্যান্স কামরুল। এভাবেই বছরের পর ডান্স ক্লাবের আড়ালেই চলত নারী পাচার।

ভিক্টিম নারী বলেন, আমার নাচ শেখার জন্য ডিজে কামরুল নামের একটা লোকের সঙ্গে পরিচয় হয়। তার মাধ্যমে তার ক্লাবে গিয়ে কিছুদিন আমি ভালো পারফরমেন্স করি। এর কিছুদিন পরে আমার পারফরমেন্স ভালো দেখে সে আমাকে একটা অফার করে যে বাইরের দেশে গিয়ে নাচ করার।

আরেক ভিক্টিম বলেন, আমি সৌদি আরব গেছিলাম। কিন্তু সে আমাকে অনেক খারাপ একটা জায়গায় রেখেছিল। আমার ওখানে খাওয়া দাওয়া কিছু দেয় নাই। আমি অনেক কষ্ট আর পরিশ্রম করে ২০ তারিখ পর্যন্ত ওই বাসায় থাকি।

কয়েকটি ধাপে বিভিন্ন দেশে নারীদের পাচার করে আসছিল এই চক্র। মেয়েদের নিয়ে এসে ঢাকায় সেফ হাউজে রাখা হতো। সেখানেই ভিক্টিমদেরকে নাচ শেখানোর কথা বলে নিয়ে আসা হতো।

র‍্যাবের আইন ও সংবাদমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন বলেন, এই নারীদের প্রথমে উচ্চাভিলাষি স্বপ্ন দেখায় এবং তাদের নাচ শেখানো বা বিভিন্ন দেশের বাইরে বিভিন্ন চান প্রোগ্রামের নামে তাদের নিয়ে বিভিন্নভাবে পাচার করতো।

অভিযানে ৫৩ টি পাসপোর্ট, ২০ টি মোবাইল। বিদেশি মদ, ০২ টি মোটর সাইকেলসহ নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন