বাণিজ্য ডেস্ক :
চীনের স্থানীয় বাজারে মার্কিন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা কমে যাওয়ায় তা দেশটি পুনরায় ইউরোপের দেশগুলোয় অধিক মুনাফায় বিক্রি করে দিচ্ছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাতে আরটি এ তথ্য জানিয়েছে।
এক সময়ের এলএনজির বৃহত্তম আমদানিকারক চীন, এখন ব্যাপক হারে তা রফতানি করছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জ্বালানির অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাওয়ায়, চীন বিশ্ব বাজারে অতিরিক্ত এলএনজি বিক্রি শুরু করেছে। তাদের অন্যতম ক্রেতা হচ্ছে ইউরোপ, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া।
দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির অধীনে কম খরচে কেনাকাটার সুবিধা নিয়ে, চীনা জ্বালানি কোম্পানিগুলো ইউরোপে মার্কিন এলএনজি বিক্রি করছে। এতে তারা কার্গো প্রতি শত মিলিয়ন ডলার ছাড় পাচ্ছে।
জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়ে চীনের সমুদ্রবন্দরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজিবাহী জাহাজের সংখ্যা বছর ব্যবধানে ১৩৩ থেকে মাত্র ১৯ এ নেমে এসেছে।
বেইজিং শুধুমাত্র আমেরিকান গ্যাস বিক্রি করছে, তা কিন্তু নয়। এ বছর চীন বিপুল ছাড়ে রাশিয়া থেকে প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি গ্যাস আমদানি করেছে বলে জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। আগস্টে রাশিয়া থেকে চীনের এলএনজি আমদানি গেল অন্তত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যে অবস্থিত সাখালিন-২ এলএনজি রফতানি প্ল্যান্ট ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ের বেশ কয়েকটি চালান চীনের কাছে বর্তমানে স্পট মূল্যের প্রায় অর্ধেক দামে সরবরাহ করেছে।
যেহেতু রাশিয়া থেকে ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৯ শতাংশে নেমেছে, এতে নিজেদের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে বেশি দাম দিয়ে হলেও চীন থেকে গ্যাস আমদানি করতে বাধ্য হচ্ছে ইউরোপ। বছর ব্যবধানে যা ৬০ শতাংশ বেড়েছে।
