জসিম উদ্দিন:
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণ ঘটাতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ, ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ এবং ২০৫০ সালের মধ্যে শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। জাতীয় বাজেটে বিদ্যুৎ খাতের কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য বরাদ্দ দিতে হবে।
০৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে সরকারি টি এ ফারুক স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে ”নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে রাজনীতিবিদদের ভূমিকাই মূখ্য” শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন। ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, সরকারি টি এ ফারুক স্কুল এন্ড কলেজ ও পশুর রিভার ওয়াটারকিপারের যৌথ আয়োজনে এ বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
সোমবার সকালে চুড়ান্ত পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমগ্র অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরকারি টি এ ফারুক স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তালুকদার মোঃ জিয়াদ হোসাইন।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী মোঃ নূর আলম শেখ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রভাষক রাজেন্দ্রনাথ মন্ডল, প্রভাষক নাহিদ আফরোজ তানিয়া, প্রভাষক অপরূপ হালদার, প্রভাষক তানিয়া আক্তার পরিবেশযোদ্ধা মেহেদী হাসান প্রমূখ। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী পরিবেশযোদ্ধা মোঃ নূর আলম শেখ বলেন কয়লা, গ্যাস ও তেলভিত্তিক নতুন কোন পরিবেশ বিধ্বংসী বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের অনুমোদন দেয়া যাবেনা। নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল ও ইনভার্টারসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশের উপর থেকে ভ্যাট, আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর শুন্যে নামিয়ে আনতে হবে। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা চ্যাম্পিয়ন হয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী লিমা আক্তার। সবশেষে চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্সআপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
