রাজনীতি ডেস্ক :
লুটপাট বিএনপির অস্থিমজ্জার সঙ্গে মিশে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শুক্রবার (১০ জুন) সকালে রাজধানীর মিরপুরে দারুসসালাম থানা ও ইউনিটে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। দীর্ঘ ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত হলো এ সম্মেলন।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, লুটপাট ছাড়া কিছুই বোঝে না বিএনপি। বাজেট হতে না হতেই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, লুটপাটের বাজেট। আসলে মিথ্যাচার ছাড়া বিএনপির রাজনীতিতে আর কিছু নেই।
তিনি বলেন, মিথ্যাচার আর লুটপাটের ওপর যদি নোবেল পুরস্কার থাকতো তাহলে বিএনপি মহাসচিব তা পেতেন।
সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বেশি টাকার বাজেট দিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার। তাতেই মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতাদের মুখে শ্রাবণের কালো মেঘের ছায়া পড়েছে।
এ সময় ফখরুলের কাছে প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেলসহ বিভিন্ন বড় বড় প্রকল্প নির্মাণ করায় শেখ হাসিনার কি অপরাধ?
নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না, বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, বেগম জিয়া এক সময় বলেছিলেন, শিশু ও পাগল ছাড়া দেশে কেউ নিরপেক্ষ নেই, তাহলে বিএনপি কি পাগল ও শিশুকে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকার বানাতে চায়?
পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান টেমস নদীর ওপার থেকে বিএনপি নেতাদের কাছে পাচার করা টাকা পাঠিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্র করছে- এমন অভিযোগ করে দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান কাদের।
আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হলে দলের দুঃসময়ের নেতাকর্মীদের বাঁচাতে হবে উল্লেখ করে কাদের আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।
আওয়ামী লীগে ভালো লোকের অভাব নেই তাই খারাপ লোকদের দলে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানান ওবায়দুল কাদের।
পদ্মাসেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে শুনে সারা দেশের মানুষের মুখে হাসি কিন্তু বিএনপি নেতাদের মনে বড় কষ্ট বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
দারুসসালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মাজহারুল আনামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুল রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সংসদ সদস্য আগা খান মিন্টুসহ অন্যান্য নেতারা।
