আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
দেশীয় পণ্যের নতুন রফতানি বাজার ও বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করতে মালয়েশিয়ায় ষষ্ঠবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘শোকেস বাংলাদেশ’। এতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীরা অংশ নেবেন। মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহায়তায় এবং বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (বিএমসিসিআই) উদ্যোগে এ আয়োজন করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কুয়ালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনফারেন্স হলে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার।
উপস্থিত ছিলেন বিএমসিসিআইয়ের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাহার হোসেন খাঁন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রোবাইয়াত আহসান ও পরিচালক মাহবুব আলম শাহসহ বিএমসিসিআইয়ের অন্য সদস্যরা।
এসময় তারা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাব দেন এবং সময়োপযোগী এ উদ্যোগ বিশ্ববাজারে ব্র্যান্ড হিসেবে বাংলাদেশকে আরও প্রতিষ্ঠিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশি খ্যাতনামা অনেক প্রতিষ্ঠানের পাশপাশি বিভিন্ন খাতের পেশাজীবীরা এই শোকেসে অংশ নেবেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খোরশেদ এ খাস্তগীর, মিনিস্টার লোবার নাজমুস সাদাত সেলিম, দূতালয় প্রধান কাউন্সেলর রাজনৈতিক মো. রুহুল আমিন, পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রথম সচিব মিয়া মোহাম্মদ কিয়াম উদ্দিন ও প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) প্রণব কুমার ঘোষ।
সভায় হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, দুই দেশের মধ্যকার মুক্তবাণিজ্য (এফটিএ) স্বাক্ষরের পথ আরও প্রশস্ত হবে। বর্তমানে ৯৩টি বাংলাদেশি পণ্য মালয়েশিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। মালয়েশিয়া ট্যারিফ ও নন-ট্যারিফ বাধা দূর করলে সেখানে বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি অনেক বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশই বাংলাদেশকে এ ধরনের সুবিধা দিচ্ছে। মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্য, মসলা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, আলু, শাক-সবজি, সিরামিক টেবিল ওয়্যার, হিমায়িত মাছ, তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার, টেকসটাইল ও হালাল খাদ্য পণ্যের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
বিএমসিসিআইয়ের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, গত ২৫ বছরে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের রফতানি গড়ে ১২.৪ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে আমরা ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্য পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি মালয়েশিয়া, চাইনিজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও মালে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সঙ্গেও বিএমসিসিআইয়ের প্রতিনিধিদল বৈঠক করে।
