আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে বের হবে না যুক্তরাষ্ট্র। চার দিনের মধ্যপ্রাচ্য সফরে শনিবার (১৬ জুলাই) সৌদি আরবের জেদ্দায় আরব শীর্ষ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। খবর আল জাজিরার।
চারদিনের মধ্যপ্রাচ্য সফরে রয়েছেন বাইডেন। ইসরাইল ও ফিলিস্তিন সফর শেষে শুক্রবার (১৫ জুলাই) সৌদি আরব যান তিনি। এদিন লোহিত সাগর তীরবর্তী শহর জেদ্দায় এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন এ দুই নেতা। পরদিন শনিবার (১৬ জুলাই) আরব নেতাদের সঙ্গে এক সম্মেলনে যোগ দেন বাইডেন।
আরব শীর্ষ সম্মেলনে গাল্ফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) ছয় দেশ সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশাপাশি জর্ডান, মিসর ও ইরাকের নেতারও অংশ নেন। সম্মেলনে বাইডেন বলেন, আমরা মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরছি না। এমনকি এমন কোনো শুন্যাবস্থাও রাখা হবে না যা রাশিয়া, চীন, কিম্বা ইরান পূরণ করবে।
এ সম্মেলনে ফের ইরানের প্রসঙ্গ টেনেছেন বাইডেন। বলেন, ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে না পারে তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ইরানকে ঠেকাতে সফরের শুরুতে ইসরাইলের সঙ্গে এক যৌথ ঘোষণা স্বাক্ষর করেছেন বাইডেনন। সেখানে বলা হয়েছে, ইরানের পরমাণু অস্ত্র অর্জন ঠেকাতে একযোগে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট ও ইসরাইল।
এর আগে শনিবার সকালে ইরাক, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে মিলিত হন বাইডেন। এই নেতাদের কারও কারও সঙ্গে এটিই তার প্রথম বৈঠক।
আল জাজিরার হোয়াইট হাউজ সংবাদদাতা কিম্বার্লি হ্যালকেট বলেছেন, রাজনৈতিক অর্জন বিবেচনায় ‘খালি হাতে’ দেশে ফিরছেন বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম কমাতে সৌদি আরবকে আরও তেল সরবরাহের জন্য তাকে চাপ দিতে হবে। তবে সেই লক্ষ্যটি পূরণ হয়নি।
আল জাজিরার সিনিয়র রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারওয়ান বিশারা অবশ্য বাইডেনের ইসরাইলে যাত্রাবিরতির চেয়ে সৌদি আরব সফরকে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। তার ভাষায়, ‘ইসরাইলের সঙ্গে জোট শক্তিশালী, তাই আমি মনে করি সৌদি আরবের সঙ্গে যা ঘটছে সেটি নতুন।’
