মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
ভূমি দুস্য কসাই শহীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে যশোরের মণিরামপুরের রসুলপুর গ্রামের নিরীহ মানুষ। তাদের দাবী, প্রশাসনের কাছে শহীদের সকল কর্মকান্ডের প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করেও কোন ফল পাচ্ছেন না তারা। যার কারনে একাধিক মামলার আসামী এ কসাই শহীদ একের পর এক এলাকায় বহু বির্তকিত ঘটনার জম্ম দিলেও চোঁখে দেখা ছাড়া তাদের করার কিছু থাকছে না।
এলাকাবাসীর অভিযোগ ও সরজমিন গিয়ে বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কসাই শহীদ মূলত একজন ভূমি দুস্য নামে এলাকায় পরিচিত।
এছাড়া এলাকাবাসীর দাবী তার নানাবিধ কর্মকান্ডে এলাকার মানুষ একপ্রকার নাজেহাল হয়ে পড়েছে। ওই গ্রামের সিদ্দিক, আব্দুল কাদের, আব্দুল হামিদ, মালেক ও আব্দুল সাত্তারসহ একাধিক মানুষের দাবী কসাই শহীদ খুন-জখম, জমি দখল, মানুষের ভিটাবাড়ি থেকে উচ্ছেদের ঘটনা থেকে শুরু করে এমন কোন ঘটনা নাই তিনি তা করেনি।
তারা জানান, সুবোল ভগমানীর স্ত্রী উল্লাসীকে হত্যা করাসহ ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে জমি দখল করেও ক্ষান্ত হয়নি এ শহীদ। সে সাহেব আলীর মেয়ে রশির তালাকের কথা বলে তার বসতবাড়ি লিখে নিয়েছে। সম্প্রতি শহীদের নজর পড়ে একই গ্রামের দিনমজুর সিদ্দিকের বসতবাড়ির উপর।
দিনমজুর সিদ্দিকের অভিযোগ, তার দীর্ঘদিনের বসবাস করা একমাত্র বসতবাড়ির ২১ শতক জমির মধ্যে শহীদ ১১ শতক দাবী করে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করছে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের জন্য।
এছাড়াও শহীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, হয়রত খাঁকে প্রকাশ্যে মারপিট করে পা ভেঙ্গে দেয়ার। লতিফ নামে এক ব্যক্তির চাকু মেরে হত্যার চেষ্টার। আমাউল্লাহ খাঁর নামে এক ব্যক্তির রাম দা দিয়ে কোপানোর। এলাকাবাসীর দাবী এ সকল ঘটনাসহ বিভিন্ন ঘটনায় শহীদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে। তার পরেও এলাকায় শহীদ বিভিন্ন বির্তকিত ঘটনা ঘটিয়ে আসলেও প্রশাসনের নিকট অভিযোগ করলে কোন প্রতিকার পাচ্ছে না বলে তাদের দাবী।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু জাহান জানান, শহীদের নামে এমন অভিযোগ নতুন কিছু না। বহুদিন যাবত বিভিন্ন ঘটনা শহীদ ঘটিয়ে আসলেও কেউ কিছু করতে পারিনি বলে তিনি দাবী করেন।
চালুয়াহাটি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ জানান, শুনেছি শহীদের সাথে এলাকার বিভিন্ন মানুষের জমাজমি নিয়ে গোলযোগ রয়েছে। তার বাইরে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবী করেন।
থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, এ রকম কোন ঘটনা তার জানা নেই, কেউ তার নামে অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
