হোম জাতীয় ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যকে মারধরের অভিযোগ

জাতীয় ডেস্ক :

দাবি করা চাঁদা না পেয়ে ইউপি সদস্যকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বিশ্বাসের (৪২) বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) রাজবাড়ীর দুই নম্বর আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য অতুল চন্দ্র সরকার (৪০)।

অতুল চন্দ্র পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়ন পরিষদের তিন নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং পাংশা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক।

মামলায় ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বিশ্বাস ছাড়াও আরও আটজনকে আসামি করা হয়েছে।

তারা হলেন- পাংশা উপজেলার কুরাপাড়া এলাকার আ. আলিম মুন্সি (৪০), নারায়নপুর এলাকার মো. জালাল মন্ডল (৩৮), আরাফাত হোসেন রঙ্গিন (৩৮), মো. উজির রাসেল (২৮), ভেল্লাবাড়িয়া এলাকার শাকিল ওরফে সুজন (৪৫), সিরাজুল ইসলাম মিঠু (৪৩), চরঝিকরী পশ্চিমপাড়া এলাকার আকমল হোসেন মোল্লা (৪০) ও গুধিবাড়ী এলাকার মো. শরিফ (৩৮)।

মামলার এজাহারে ইউপি সদস্য অতুল চন্দ্র সরকার উল্লেখ করেন, তিনি ১৮ বছর ধরে পাংশা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক হিসেবে কাজ করছেন। পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বিশ্বাস পাংশা উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি। এর আগে জালাল উদ্দিন বিশ্বাস প্রভাব খাটিয়ে তার কাছে ১১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করলে তিনি তিন লাখ টাকা চাঁদা দেন। জালাল উদ্দিন বিশ্বাস আরও আট লাখ টাকার দাবিতে তাকে চাপ দেন। টাকা না দিলে তাকে দলিল লেখকের কাজ করতে দিবেন না বলে হুমকি দেন। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে জালাল উদ্দিন বিশ্বাস তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়।

মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি পাংশা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে নিজের সেরেস্তায় বসে কাজ করছিলেন। সেসময় জালাল উদ্দিন বিশ্বাস নিজের দলবল নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। এসময় হাতুড়ি, লোহার রড ও কাঠের বাটামসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করে। একইসঙ্গে তার সেরেস্তার ড্রয়ারে থাকা এক লাখ টাকাও ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি শুনেছি। চাঁদা চাওয়া ও মারপিটের ঘটনা সত্য নয়।’

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন