জাতীয় ডেস্ক :
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কুঞ্জনগর গ্রামে হুদাপাড়ায় ছাবিনা খাতুন (৩০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার পর গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে স্বামী বিদ্যুত হোসেন। বিদ্যুত হোসেন হুদাপাড়া গ্রামের দিনমজুর ওলি আহম্মেদের ছেলে।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে বিদ্যুতের বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে স্ত্রী ছাবিনার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশের ধারণা ছিল স্ত্রীর মাথায় আঘাত করে হত্যা করে স্বামী পালিয়ে গেছে। কিন্তু দুপুরে বাড়ির পাশের বাগানে একটি গাছে বিদ্যুতের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর ধারণা পাল্টে যায়। স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
স্থানীয় ও ছাবিনার পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাত্র ২৭ দিন আগে কুমারীডাঙ্গা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে ছাবিনা খাতুনের সঙ্গে কুঞ্জনগর হুদাপাড়া গ্রামের দিনমজুর বিদ্যুত হোসেনের বিয়ে হয়। এটি ছাবিনার দ্বিতীয় আর বিদ্যুতের পঞ্চম বিয়ে। এ বিয়ের পর থেকে ছাবিনা ও বিদ্যুতের মাঝে কলহ চলছিল। এর জের ধরে আজ ভোরে দুইজনের মাঝে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ছাবিনার মাথায় ভারি বস্তু দিয়ে আঘাত করে বিদ্যুত। মাথায় কয়েকটি আঘাতের ফলে ছাবিনা মারা যায়। পরে বাড়ির পাশের বাঁশ বাগানে একটি গাছের সঙ্গে রশি টাঙিয়ে আত্মহত্যা করে বিদ্যুত।
এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। দাম্পত্য কলহের জের ধরে স্ত্রীকে হত্যার পর বিদ্যুত আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
