হোম অর্থ ও বাণিজ্য ‘বাজেট সময়োপযোগী হয়েছে’

বাণিজ্য ডেস্ক :

প্রস্তাবিত বাজেট করোনা মহামারি পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায় সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি মাহবুবুল আলম। এক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দরকে অগ্রাধিকার দিয়ে চলমান উন্নয়ন কাজগুলো দ্রুত শেষ করতে বাজেটে বিশেষ কর্মপরিকল্পনার দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের।

বাণিজ্যিক রাজধানীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে চট্টগ্রামে একে একে পাখা মেলছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী টানেল, বে-টার্মিনাল, গভীর সমুদ্র বন্দর, অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো মেগাপ্রকল্পগুলো। যা বৃহত্তর এ অঞ্চলের উন্নয়নকে তুলে ধরছে।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘বাজেটে বন্দর নিয়ে যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়ন হলে আগামী ৫০ বছর আমাদের বন্দর নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।’

দেশের অর্থনৈতিক জীবনীশক্তি সঞ্চালিত হয় চট্টগ্রামের মধ্য দিয়েই। মোট রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৭৫ ভাগ হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। অন্যদিকে আমদানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ হার ৮০ ভাগ। দেশের মোট রাজস্ব আয়ের। একটা বড় অংশ আসে চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে। তাই বাজেটে এ অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ প্রতিফলন রাখার দাবি এখানকার ব্যবসায়ীদের।

বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বন্দরকে আরও বিনিয়োগবান্ধব করতে হবে। তাহলেই বন্দর থেকে আশানুরূপ ফলাফল আসবে।’

প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে ছাড় দেয়াকে স্বাগত জানিয়ে নতুন শিল্প কারখানা গড়তে বন্দর নগরীতে অবকাঠামো নির্মাণে বিশেষ নজরদারির প্রস্তাব শিল্প মালিকদের।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, ভ্যাট কমিশনারেট, আয়কর বিভাগ এবং বন্ড কাস্টমস থেকে প্রতি বছর বিশাল পরিমাণ রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম বিমানবন্দর, নৌপরিবহন খাতসহ সরকারি বিভিন্ন খাত থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জমা হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন