আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থা খুবই স্বচ্ছ বলে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মন্ত্রী বলেন, র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের অনেক মানুষই জানে না। বাংলাদেশের শ্রম অধিকার পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ মোকাবিলায় রূপরেখা তৈরির কথাও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
যুক্তরাষ্ট্র সফরের তৃতীয় দিন ইনস্টিটিউট অব পিস আয়োজিত সংলাপে অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এ সময় তিনি বলেন, বৈশ্বিক কূটনীতিতেও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।
স্থানীয় সময় বুধবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী। সে সময় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। বিনিয়োগ বাড়াতে সমন্বিতভাবে কাজ করার কথা বলেন মার্কিন ব্যবসায়ীরা।
এর আগে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক দলের প্রভাবশালী সদস্য, মার্কিন কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা সিনেটর চাক শুমারের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে আসে রাজনীতি ও নির্বাচন প্রসঙ্গ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘তাকে আমাদের নির্বাচনব্যবস্থার বিষয়ে বলেছি। সেটাও বলেছি, আমরা নিরেপক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করেছি।’
র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রভাবশালী এই সিনেটরের সহযোগিতা চান ড. মোমেন। কংগ্রেসম্যান স্টিভ চ্যাবেটের সঙ্গেও বৈঠক করেন মন্ত্রী।
বৈঠকে বাংলাদেশের শ্রম অধিকার নিয়ে উদ্বেগ জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
