সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
তাহিরপুর উপজেলা ও শ্রীপুর (উত্তর) ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত বন্যা বাসীসহ দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সৌদি আরব (প্রবাস থেকে ) মোঃ অপু ইসলাম।
ঈদ আযহা উপলক্ষে তার বাণীতে সৌদি আরব প্রবাস থেকে মোঃ অপু ইসলাম বলেন। লোভ-লালসা,হিংসা-বিদ্বেষসহ মনের পশুকে পরাজিত করার বাণী নিয়ে আবারও এসেছে ঈদুল আযহার ঈদ। কুরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতায় আমাদের হৃদয়কে প্রসারিত করে। কুরবানির মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের ত্যাগের ও মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে। ত্যাগের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌহার্দ্য। তিনি বলেন প্রত্যেকেই সাধ্যমতো তারা পশু কুরবানি দেন ঈদে। তবে এবার ঈদ উৎসবের আমেজ নষ্ট করে দিয়েছে বন্যা,এই অকাল বন্যার আতঙ্ক এখনো বিরাজমান সাধারণ মানুষের মধ্যে। এই আকস্মিক অকাল বন্যায় হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। অবশেষে কোন কুল না পেয়ে শত শত নারী পুরুষ ঘরছাড়া হয়ে ছেলে মেয়ে নিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে জায়গা নিয়েছেন।
আমি মহান আল্লাহ তা’লার কাছে আমার দুহাত তুলে দোয়া করি আল্লাহ পাক যেন আমাদের এলাকার বন্যায়-ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী। মা,বোন বাবার সমতুল্য মুরব্বি ও যুবক ভাইদের কে মহান আল্লাহ ভালো পাক
রাখেন।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়লা এরশাদ করেন, আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য কুরবানি এক বিশেষ রীতি প্রদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছি,যেন তারা ওই সব পশুর উপর আল্লাহর নাম নিতে পারে,যা আল্লাহ তাদেরকে দান করেছেন। (সুরা হজ: আয়াত ৩৪) এবং চার হাজার বছর আগে আল্লাহর হুকুমে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তার সবচেয়ে প্রিয় একমাত্র ছেলে হযরত ইসমাইল (আঃ) কে কুরবানি করার উদ্দ্যোগ নেন। তবে আল্লাহর কুদরতে হযরত ইসমাইল (আঃ) এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কুরবানি হয়। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এই ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্মরণ করে বিশ্ব মুসলমানরা প্রতি বছর কুরবানি করে থাকে। তবে আল্লাহর পথে ত্যাগই ঈদুল আজহার প্রধান শিক্ষা। পশু জবেহ করে তা বিলিয়ে দেওয়া দান নয়, এইটা আমাদের ধর্মীয় কর্তব্য।
পরিশেষে তাহিরপুর উপজেলা ও শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের বন্যায়-ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বাসীসহ দেশবাসীকে সবার জন্যে রইল আবারো পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারক।
