জাতীয় ডেস্ক :
প্রধানমন্ত্রীর এবারের দিল্লি সফরে তিস্তার বিষয়ে কোনো আশা না থাকলেও স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা ইস্যুতে বড় বোঝাপড়ার সম্ভাবনা দেখছেন ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, রোহিঙ্গারা পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকির অন্যতম কারণ হলেও কৌশলগত সীমাবদ্ধতার কারণে একপক্ষীয় অবস্থান নিতে পারছে না ভারত।
এদিকে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের সফরে আগামী ২৫ বছরে ইন্দো-বাংলা সম্পর্কের রূপরেখা চূড়ান্ত হতে পারে।
সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) চারদিনের সফরে দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ তিন বছরের বিরতিতে এবারের সফরে কী কী হতে পারে, কোন্ ইস্যুতে কতটুকু আলাপচারিতা হতে পারে, সেসব থেকে কতটুকু ফল মিলবে, তা নিয়েই এখন আলোচনা ঢাকা থেকে দিল্লি সর্বত্র।
দ্বিপক্ষীয় বিষয়াদির মধ্যেও নিরাপত্তা ইস্যু, সীমান্তে মিয়ানমারের উসকানিমূলক যুদ্ধবিমানের প্যাট্রলিং যখন চলমান, তখন এই বিষয়গুলোই শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে প্রাধান্য পেতে পারে বলে মনে করছেন ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।
নিরাপত্তা গবেষক ও বিশ্লেষক স্মৃতি এস পট্টনায়েকের মতে, রোহিঙ্গারা পুরো অঞ্চলের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ভারত স্পষ্টভাবে পক্ষ নেবে না। তিনি বলেন, সমাধান না করলে রোহিঙ্গারা স্থানীয় পর্যায় থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সন্ত্রাসে জড়াতে পারে।
এদিকে, অল ইন্ডিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গৌতম লাহিড়ী মনে করেন, এবারের সফরে আগামী দুই যুগের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের স্থায়ী রূপরেখা চূড়ান্ত করতে পারেন হাসিনা-মোদির নেতৃত্ব।
তাদের মতে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে শুধু তিস্তায় আটকে না থেকে, বহুমাত্রিক ইস্যুতে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও দৃঢ় ও নবায়নের দিকে জোর দিতে পারেন দুদেশের শীর্ষ নেতারা।
