হোম জাতীয় প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলেও রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ভুল ছিল

জাতীয় ডেস্ক :

প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলেও সুইস ব্যাংকের তথ্য চাওয়া নিয়ে বক্তব্য ভুল ছিল বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে সুইস দূতাবাস। শনিবার (২৭ আগস্ট) এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন হাইকোর্টে জমা দেয়া হয়েছে। সুইস ব্যাংকে অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলা আগামী রোববার (২৮ আগস্ট) হাইকোর্টে শুনানির জন্য দিন ধার্য আছে।

সম্প্রতি সবচেয়ে আলোচিত বিষয় অর্থপাচার। দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা চলে যাচ্ছে বিদেশে। গড়ে উঠছে বেগমপাড়া, সেকেন্ড হোম। সেই টাকা দেশে ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নানা ব্যবস্থা। সুযোগ দেয়া হয়েছে ৭ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার।

এমন প্রেক্ষাপটে গত ১০ আগস্ট সুইস ব্যাংকে টাকা পাচারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য চায়নি বাংলাদেশ। সুইস রাষ্ট্রদূতের এমন বক্তব্যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। অথচ দুদক ও বিএফআইইউ এর তথ্য বলছে, ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সুইচ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশের ৬৭ জনের তথ্য চাওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত একজনের তথ্য দিয়েছে সুইডেন। না জেনে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়ার জন্য সুইস রাষ্ট্রদূতকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায় ঢাকা।

প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলেও সুইস ব্যাংকের তথ্য চাওয়া নিয়ে বক্তব্য ভুল ছিল বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে সুইজারল্যান্ড দূতাবাস। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন হাইকোর্টেও জমা পড়েছে।

সুইস ব্যাংকে অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলার শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য রয়েছে হাইকোর্টে।

২০২১ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকা জমা হয়েছে ৩ হাজার কোটি। দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকার অঙ্ক ৮ হাজার ২৫৩ কোটিরও বেশি। যা এ যাবতকালের সর্বোচ্চ। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য বলছে, গত ১০ বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা বিভিন্ন দেশে পাচার হয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন