হোম জাতীয় পিরোজপুর সদর থানার ওসি মিলুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

জাতীয় ডেস্ক :

প্রতিপক্ষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদারের বিরুদ্ধে একের পর এক চুরির মামলা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ.জ.ম. মাসুদুজ্জামান মিলুর বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ঠিকাদার ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, তার (ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল) চাচা এনায়েত হোসেন সরদারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তার বিরোধ চলে আসছিল। এনায়েত হোসেন সরদার তাকে ঘায়েল করতে চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি বাসার কেয়ারটেকার দিয়ে থানায় ১৮ হাজার ৫০০ টাকা চুরির অভিযোগ দায়ের করান। ওসি সেই অভিযোগের কোনো ধরনের প্রাথমিক তদন্ত না করে সরাসরি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করেন। এছাড়া সেই একই বাদী ১১ মে ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেলের নিজের জমিতে বানানো ঘর থেকে মিটার চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগও তদন্ত ছাড়া মামলা হিসেবে গ্রহণ করে রাসেলকে গ্রেফতার করেন ওসি মাসুদুজ্জামান মিলু। একই সঙ্গে গ্রেফতারের ছবি তুলে স্বপ্রণোদিত হয়ে ওসি বিভিন্নজনকে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করান।

ওয়াহিদ রাসেল দাবি করেন, ওসির আপন ছোট ভাই বরগুনা জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদুজ্জামান টিপন। ওসি এর আগে বাউফল, বাকেরগঞ্জ ও নলছিটি থানা থেকে অপকর্মের দায়ে প্রত্যাহার হন।

রাসেল বলেন, দাবি অনুসারে মাসোহারা না দেওয়ায় ওসি মাসুদুজ্জামান মিলু আমার পারিবারিক বিরোধকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে আমাদের পরিবারকে উৎখাতের চক্রান্ত করছেন।

ওসি আ. জ. মো মাসুদুজ্জামান মিলু দাবি করে বলেন, জমি বিরোধের জের ধরে রাসেলের সঙ্গে তার চাচার বিরোধ আছে। তার চাচা মামলা দায়ের করলে আমার কিছুই করার নেই। একই ব্যক্তির বিষয়ে একই বাদী একই অভিযোগে একাধিক মামলা দিতে পারেন কিনা প্রশ্নের জবাবে বলেন, ঘটনাস্থল আলাদা হলে আমি নিতে বাধ্য।

ওসি বলেন, আমার ভাই বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন