জাতীয় ডেস্ক :
হাওরের পানি সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ইঞ্জিনিয়ার ফজলুর রশীদ।
তিনি জানান, কাবিটা নীতিমালা অনুযায়ী ১৫ ডিসেম্বর থেকে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও হাওরে পানি থাকার কারণে বাঁধের প্রি ওয়ার্ক জরিপ সম্পন্ন করা যাচ্ছে না।
শনিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেস্ট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে বিকেলে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার খরচার হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের প্রি-ওয়ার্ক জরিপ কাজ পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক।
এসময় ফজলুর রশীদ বলেন, হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ পিআইসি নীতিমালা অনুযায়ী বাস্তবায়ন হবে। গণশুনানি মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের নিয়ে পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) গঠন করে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে। পিআইসি নীতিমালার পরিপন্থী কোনো কিছু হবে না।
তিনি আরও বলেন, এবারের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রথম কিস্তির আগাম ৬৫ কোটি টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে। পিআইসিদের বকেয়া বিল পরিশোধ করা হয়েছে। হাওর এলাকার নদী খননের সমীক্ষা চলছে। সমীক্ষার কাজ শেষ হলে আবার নদী খনন করা হবে। নদী খনন করা হলে হাওরের পানি দ্রুত নিষ্কাশন হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক আরও বলেন, আগাম বন্যার হাত থেকে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের উচ্চতা কমানো যাবে। এতে বাধে ওভার ফ্লো হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না। বাঁধ নির্মাণে মাটির সংকট কমবে। কয়েক বছর আগে হাওর এলাকার বড় বড় নদী খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী অখিল কুমার সাহা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খুশিমোহন সরকার, সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, সামছুদ্দোহা প্রমুখ।
