আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বিদেশি পর্যটকদের জন্য আগামী ১ এপ্রিল থেকে সীমান্ত খুলে দিচ্ছে মালয়েশিয়া। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মার্চ থেকে বাইরের বিভিন্ন দেশের যেসব পর্যটক মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করবেন তাদের ২য় ডোজ টিকা নেওয়া থাকলে আর থাকছে না বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন। একই সময়ে পর্যটকরা মাইট্রাভেল পাসের জন্য আবেদন না করেই দেশটিতে আসা যাওয়া করতে পারবেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (০৮ মার্চ) দেশটির সংসদ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব এ ঘোষণা দেন।
এসময় তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি এবং দেশের অর্থনীতির অগ্রগতি এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়িত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার ফলাফল। বিদেশি পর্যটকদের অবশ্যই মালয়েশিয়ায় প্রবেশকালে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক প্রবেশের দুই দিন আগে পিসিআর পরীক্ষা ও আগমনের ২৪ ঘণ্টা আগে আরটিকে পরীক্ষা করতে হবে। সেই সঙ্গে পর্যটকরা দেশটিতে প্রবেশের পর মাইসেজাতেরা অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করে সক্রিয় করতে হবে।
সম্প্রতি মালয়েশিয়ার তিন প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুর বিদেশি পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছে। টিকাদান কর্মসূচি সফল হওয়ায় মালয়েশিয়াও আগের অবস্থান থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিল।
এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটির গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার জাতীয় পুনরুদ্ধার কাউন্সিলের (এনআরসি) চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন সীমান্ত খোলার বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন।
যদিও দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা কিছুটা কমেছে, তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী দেশটিতে টিকাদানের উচ্চ হার এবং বুস্টার শট বাস্তবায়ন, ক্যাটাগরি-৩ এর অধীনে গুরুতর সংক্রমণের সংখ্যা হ্রাস করতে সফল হয়েছে।
বর্তমানে দেশটিতে শুধুমাত্র জরুরি অবস্থা, দাপ্তরিক ব্যবসা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মতো কেস-টু-কেস ভিত্তিতে বিদেশিদের জন্য বর্ডার উন্মুক্ত রয়েছে।
