জাতীয় ডেস্ক :
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে সরকারি খালে মাছ ধরা নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (১ জুলাই) দুপুরে রাঙ্গাবালীর ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের নয়াভাঙ্গুনীতে দুই দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার বেলা ১১টায় নয়াভাঙ্গুনী সরকারি খালে মাছ ধরতে যায় ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান শিবলীর লোকজন।
এ সময় তাদের খালে মাছ ধরতে না দিয়ে তাড়িয়ে দেয় উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রওশান মৃধার লোকজন। পরে দুপুর ২টার দিকে কামরুজ্জামান শিবলীর লোকজন এসে রওশান মৃধার লোকদের ধাওয়া দিলে বাধে সংঘর্ষ। এ সময় উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়। এর মধ্যে রওশান মৃধার কর্মী মিরাজ মুন্সি (৩০) ও রনি মুন্সি (২৮) গুরুতর আহত হলে তাদের পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি রওশান মৃধা বলেন, ‘আমার লোকজন সরকারের কাছ থেকে ইজারা এনে দীর্ঘদিন ধরে ওই খালে মাছ শিকার করে আসছে। কিন্তু কয়েক দিন আগে আমাদের লোকজনকে খাল থেকে উঠিয়ে দেয় শিবলীর লোকজন। এর পর আমরা আজ মাছ ধরতে গেলে ২০ থেকে ২৫ জন সন্ত্রাসী এসে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের সাতজন আহত হয়।’
ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান শিবলী বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি। তবে যতটা শুনেছি আমাদের লোকজন সকালে খালে মাছ ধরতে গেলে তারা আমাদের লোকজনকে মারধর করে। পরে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই।’
রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, গুরুতর আহত দুজন হাসপাতালে ভর্তি আছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
