হোম অন্যান্যসারাদেশ নারী পাচারকারী চক্রের অন্যতম সদস্য নেত্রকোনার জাফলংয়ের খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

নারী পাচারকারী চক্রের অন্যতম সদস্য নেত্রকোনা জেলার খালিজুড়ি উপজেলার জাফলং এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসী খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে উক্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল ইউনিয়নের চাঁদখালী গ্রামের কাদের মোল্লার কন্যা ভুক্তভোগী মোছাঃ রিপা পারভীন।

তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, নেত্রকোনা জেলার খালিজুড়ি উপজেলার জাফলং এলাকার মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে খোকন মিয়া (২৯) একজন নারী পাচার কারী দলের সদস্য, নারী লোভি ও বাটপাট প্রকৃতির। আমার সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় খোকন মিয়ার আনুমানিক ২০২০ সালে। দীর্ঘ তিন বছর কথা বলার সুবাধে আমাদের মধ্যে তৈরি হয় বন্ধুত্ব। খোকন মিয়া কাজ করত তখন মালেয়শিয়ার একটি কোম্পানিতে।

পরবর্তীতে খোকন মিয়া আমাকে মালেয়শিয়ায় নিয়ে যাওয়ার জন্য বিবাহসহ বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখাতে থাকে। আমি তার কথায় রাজি হয়ে বাংলাদেশে তার বাড়ীর ঠিকানা জানতে চাই। সে প্রথমে বলে আমার বাড়ী সিলেটে। সিলেটে কোথায় বাড়ী ? সেখানকার ঠিকানা জানতে চাইলে সে বলে আমার বাড়ী নেত্রকোনায়। ঠিকানার এই গরমিলের কারনে আমার মনে সন্দেহের সৃষ্ঠি হতে থাকে। এরপর আমি বিষয়টি আমার পরিবারসহ আত্মীয় স্বজনদের জানাই। আমার পরিবার ও স্বজনরা একে একে তার ব্যবহারকৃত মোবাইল ০০৬০১৯৮৩৯২৩১৯ নাম্বারে কথা বলার চেষ্টা করে এবং সে বিভিন্ন সময় তার পরিচয় বিভিন্ন জায়গায় দিয়ে থাকে। তার কথা অনুযায়ী সর্বশেষ তার বাড়ীর ঠিকানা নেত্রকোনা জেলার খালিজুড়ি থানার জাফলং এলাকায় দিয়ে থাকে। তার বাড়ির ঠিকানায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় খোকন মিয়া একজন নারী পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য। আমি খোকন মিয়ার প্রতারণার কথা জেনে তার কাছে জিজ্ঞাসা করতেই সে আমাকে মোবাইল ফোনে অকথ্য ভাষায গালিগালাজ করে।

বিষয়টি আমি আমার পরিবারের কাছে জানালে তার সাথে যোগাযোগ না করার পরামর্শ দেয় আমার পরিবার। পরবর্তিতে আমার হোয়াট্সঅ্যাপ নাম্বারে রেকর্ড এর মাধ্যমে বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজসহ জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। সে বলে সে মালেশিয়া থাকলে কী হবে বাংলাদেশে তার নারী পাচারকারী চক্রের যে সদস্যরা রয়েছে তাদের দিয়ে আমার মান সম্মান নিয়ে এমনভাবে টানাটানি করবে যাতে আমি আর বাইরে বেরোতে পারবেনা তার ব্যবস্থা করবে বলে হুমকি প্রদান করে। বর্তমান আমিচরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি নারী পাচারকারী চক্রের অন্যতম সদস্য খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কালিগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ, সহকারী পুলিশ সুপার, জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন