জাতীয় ডেস্ক :
নরসিংদীর পলাশে কাপড় দিয়ে মুখ বেঁধে হত্যার পর রাস্তার পাশে কলাবাগানে ফেলে রাখা ব্যাটারিচালিত এক অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৪ জানুয়ারি) বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ। এর আগে শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে নরসিংদী জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, নরসিংদী সদর থানাধীন করিমপুর বিলপাড় গ্রামের আসাদ মিয়ার ছেলে খলিল মিয়া (২৫) ও কালাই গোবিন্দপুরের মো. আব্দুর রহিম মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসান (২৭)।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, গত মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পলাশ থানাধীন গজারিয়া ইউনিয়নের দড়িচর গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে মো. ইসমাইল মিয়া (২৪) নামে এক অটোরিকশা চালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে খোঁজ নিয়ে পুলিশ জানতে পারে নিহত ইসমাইল মিয়া নরসিংদী সদর উপজেলার চরাঞ্চল করিমপুর ইউনিয়নের বিলপাড় গ্রামের মো. ইব্রাহীম মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় ওই দিনই নিহত ইসমাইল মিয়ার পিতা ইব্রাহীম মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে পলাশ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
এরপর তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ খান ও সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে পলাশ থানা পুলিশের একটি দল অভিযানে নামেন। দীর্ঘ ৭২ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে অটোরিকশা চালক ইসমাইল মিয়ার হত্যাকাণ্ডে জড়িত খলিল মিয়া ও মেহেদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। একইসঙ্গে ছিনতাই করা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, ‘গ্রেফতার খলিল ও মেহেদী হাসানসহ ৪-৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্র, তারা অটোরিকশা ছিনতাই করাসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
