হোম অন্যান্যসারাদেশ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ঝুুকি বাড়াচ্ছে কুয়াশা, হেডলাইট জালিয়ে চলছে যানবাহন

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ঝুুকি বাড়াচ্ছে কুয়াশা, হেডলাইট জালিয়ে চলছে যানবাহন

কর্তৃক Editor
০ মন্তব্য 148 ভিউজ

ঝিনাইদহ অফিস :

শীতের শুরুতে দিন দিন তা বেড়েই চলছে কুয়াশার প্রকোপ। দিন গড়িয়ে রাত পেরনোর পর ক্রমেই বাড়ছে কুয়াশার তীব্রতা।

বৃহঃবার সকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের যশোর -ঝিনাইদহ মহাসড়ক ঘুরে দেখা গেছে, নিমতলা , কলাহাটা মোড়,বৈশাখী পাম্প মোড় সহ একাধিক বাঁক রয়েছে। রাতের আঁধারে সেই সাথে কুয়াশার প্রভাবে ওই সব এলাকার সড়ক দিয়ে চলাচল করা হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ। কালীগঞ্জ উপজেলার মহাসড়কে যানবাহনগুলো সকাল আটটার সময়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।

এরমধ্যে বিষয় খালী, দুলাল মুন্দিয়া, রঘুনাথপুর, বারোবাজার সহ একাধিক স্থানে ছোটখাট বাসস্ট্যান্ড রয়েছে। এসব স্থানে আলোর ব্যবস্থা থাকলেও মহাসড়কের দীর্ঘপথটা ফাঁকা রয়েছে।মহাসড়কের ফাঁকা দু’পাশে কুয়াশা বুঝিয়ে দিচ্ছিলো বিস্তীর্ণ ফসলি জমি সেখানে। এসব ফাঁকা স্থান দিয়ে তীব্র বেগে ধেয়ে আসতে থাকে কুয়াশা। এসব এলাকায় চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর দৃশ্যটা ভয় পাওয়ার মতন।আগমুন্দিয়া এলাকায় হোটেলে বসা সোহেল, মোবারক, জুয়েল সহ কয়েকজন বাস ও ট্রাকচালকের সঙ্গে কথা হয়।তারা জানান, জোড়াতালির মহাসড়ক মাড়িয়ে তাদের যানবাহন চালাতে হচ্ছে। এর মধ্যে আবার যোগ হয়েছে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা। এছাড়া সম্প্রতি সারাদেশে শীতের আবহ বেড়েছে অনেকটা।

চালক সুবাস দাস জানান, ট্রাকের সময় নির্ধারন না থাকলেও বাসকে সময় মেনে চলাচল করতে হয়। এ কারণে ট্রাকচালকদের তুলনায় বাস চালকরা অনেকটা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালান। সেক্ষেত্রে তারা তীব্র কুয়াশার মধ্যেও একই কাজটি করেন। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে, থাকে জীবন হারানোর ঝুঁকি। এরপরও সবাই বেপরোয়াভাবেই গাড়ি চালায়।মহাসড়কের রাস্তার দু’পাশ থেকে মাঝেমধ্যেই কুয়াশা যেন চেপে বসে। তখন সবকিছু যেন দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে যাওয়ার মত অবস্থা হয়। দুর্ঘটনা এড়াতে চালক যানের গতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হন।

যানবাহন চালকরা আরও জানান, কুয়াশার মধ্যে সন্ধ্যার পর মহাসড়ক দিয়ে শহরগুলোতে যেতে বেশ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ফাঁকা স্থানে কুয়াশার দাপট বেশি। তাই গাড়ি চালাতে হচ্ছে ধীরগতিতে। চারদিক থেকে কুয়াশা চেপে ধরে, যেন কিছুই চোখে পড়তে চায় না। তখন গাড়ি থামিয়ে সামনের গ্লাসে পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতারের আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সম্প্রতি শীতের আবহ বেড়েছে। সময় গড়িয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে শীতের মাত্রা। এর প্রভাব সারা দেশে। দিন যত যাবে কুয়াশার দাপট ততই বাড়বে। এ মাসে দুইটি শৈত্য প্রবাহ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তারা। কুয়াশার প্রভাবে ঢাকা, সিলেট, চট্রগ্রাম সহ সারা দেশের সাথে উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যহত হচ্ছে।

s

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন