ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি :
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ১০নং শংকরপুর ইউনিয়নের মোঃ হেদায়েতউল্লার ছেলে হাফিজুর রহমানের সাথে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার রামের ডাঙ্গা গ্রামের মৃত আবুবক্কর সিদ্দিক ও মৃত রাজেয়া বিবির কন্য মোছাঃ লাইলী খাতুনের সহিত বিবাহ হয়। দুঃচরিত্র বান স্বামী হাফিজুরের কারনে ২০১৩ সালে নিস্পাপ লাইলীর দেড় বছর জ্বালাযন্ত্রণা ও অত্যাচার সহ্য করে সংসার করে লাইলীর কোলে আসে এক ফুট ফুটে কন্য সন্তান। এরপর লাইলীর উপর অত্যাচারের মাত্রা দিনেরাতে বাড়তে থাকে।
একপর্যায়ে লাইলীর স্বামী হাফিজুরের এক দূরচরিত্র বড় ভাই সাবেক মেম্বার লুৎফারকে সাথে নিয়ে অসহায় লাইলীকে তাড়ানোর ফন্দি আটে। হটাৎ একদিন সন্ধায় ছয় মাসের শিশু কন্যা সন্তান সহ লাইলীকে কলাকৌশলে তারা বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এভাবে এক দুই মাস করতে করতে সাত বছর লাইলী সুষ্ঠ বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকে।
শংকরপুর ইউনিয়নের সামাজিক ও রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দকে একত্ব করে লাইলীর স্বামী লম্পট হাফিজুর, শশুর হেদায়েতুল্লাহ এবং লম্পট হাফিজুের ভাবি মোছা মায়া খাতুনকে শালিশে বসার জন্য আহবান করা হয়। উক্ত শালিশ বৈঠকে লাইলীর স্বামী হাফিজুর ও শশুর হেদায়েতুল্লাহ উপস্থিত হয়। উক্ত শালিশ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় সাত বছরের কাবিন,খোরপোষের টাকা পরিশোধ করবে। সূচতুর স্বামী হাফিজুর তক্ষনি সিদ্ধান্ত বদলে লাইলীকে নিয়ে সে পুনরায় ঘর সংসার করবে এবং ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক উক্ত শালিশ বৈঠকে সবাই উপস্থিত থেকে পুনরায় রেষ্ট্রি হয় ও এক সপ্তাহের মধ্যে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বউ লাইলীকে ঘরে তুলবে মর্মে প্রতিশ্রতি দেয় শশুর হেদায়েতুল্লাহ।
এমত অবস্থায় ৭দিন যেতে না যেতে সূচুতুর সাবেক মেম্বার লুৎফার লাইলীর স্বামী হাফিজুর কে অনন্ত্রে যেতে বলে একে একে লাইলীর পক্ষের শাশুড়ী রাবেয়া ও শশুর হেদায়েতুল বাড়ী ঘর ছেড়ে অন্যত্রে পালিয়ে যায়। এদিকে লাইলি তার স্বামী পশুর শাশুড়ী সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে, একপর্যায়ে সবাই অসহায় লাইলিকে না চেনার ভ্যান করে।
শংকরপর ইউনিয়নের গন্য মান্য ব্যাক্তিবর্গের সহিত একাত্রিতো করে লাইলির স্বামীর বড় ভাই, কুলবাড়ীয়া বি,কে,এস হাইস্কুল সহকারী শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিবের সহযোগিতায় অসহায় লাইলী এবং তার কন্য সন্তান কে শশুর হেদায়েতুল্লার বাড়িতে অবস্থান করানো হয়। এখন লাইলী শশুর বাড়িতে অবস্থান করছে কিন্তু শশুর শাশুড়ি এবং স্বামী বাড়ি থেকে পালিয়েছে। সুতরাং লাইলী তার সন্তানকে নিয়ে দূর্বিষহ জীবন যাপন করছে।
