খেলাধূলা ডেস্ক:
সাফ প্রস্তুতির মিশন হিসেবে কম্বোডিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। ম্যাচে আধিপত্য দেখাতে না পারলেও মজিবর রহমান জনি ও আনিসুর রহমান জিকোর নৈপুণ্যে জয় তুলে নিয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) কম্বোডিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
আক্রমণ কিংবা পাল্টা আক্রমণে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য ছিল স্বাগতিক কম্বোডিয়ার। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে কেন তারা বাংলাদেশের তুলনায় ১৬ ধাপ এগিয়ে সেটার প্রমাণ পাওয়া গেছে মাঠের লড়াইয়েও। অন্যদিকে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা বেশিরভাগ সময় রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল। গোলবারে অতন্ত্র প্রহরীর ভূমিকায় থাকা আনিসুর রহমান জিকো একাধিক অন টার্গেট শট ফিরিয়ে দিয়ে হতাশ করেছে স্বাগতিকরা।
ম্যাচে আধিপত্য করতে না পারলেও কাঙ্ক্ষিত ফল ঠিকই আদায় করে নিয়েছে বাংলাদেশ। লড়াইয়ের ২৪তম মিনিটে মজিবর রহমান জনির গোলে লিড পায় হ্যাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা। মাঝমাঠ থেকে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের বাড়ানো ক্রস দ্রুত ছুটে গিয়ে ডি-বক্সে দখলে নেন জনি। কম্বোডিয়ার ডিফেন্ডারদের অফসাইডের পাতা ফাঁদ এড়িয়ে তিনি বল জড়ান জালে।
পিছিয়ে পড়ে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে কম্বোডিয়া। তাদের একের পর এক আঘাত প্রতিরোধেই ব্যস্ত থাকে বিশ্বনাথরা। ৪১ মিনিটে আনিসুর রহমান জিকোর গোলকিপিং নৈপুণ্যে গোল হজম থেকে রক্ষা পায় জামাল বাহিনী। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে প্রতিপক্ষের জোরালো শট দারুণভাবে ফিরিয়ে দেন তিনি। তাতে ১-০ গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে জামালরা।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণে আধিপত্য ধরে রাখে স্বাগতিকরা। তবে জিকো গোলবারে চীনের মহাপ্রাচীর হয়ে তাদের সব প্রচেষ্টা রুখে দেন। শেষ পর্যন্ত রক্ষণ সামলে লিড ধরে রেখে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।
সপ্তাহখানেক পর সাফ মিশনে মাঠে নামবে জামালরা। তার আগে এ জয় নিঃসন্দেহে কাবরেরার শিষ্যদের জোগাবে আত্মবিশ্বাস। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরেও কম্বোডিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।
