হোম আন্তর্জাতিক জনপ্রিয়তা কমলেও কানাডার জনগণের এখনো ভরসায় ট্রুডো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

কানাডার নির্বাচনে ১৫৮ আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে লিবারেল পার্টি। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা মেলেনি। তাই চলছে জোটবদ্ধ সরকার গঠনের আলোচনা।

তবুও ফের ক্ষমতা ধরে রাখায় খুশি লিবারেল সমর্থকরা। এ জন্য তারা কৃতিত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে। তারা বলছেন, ট্রুডোর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে কানাডা।

টানা তৃতীয়বারের মতো কানাডার ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ১৯৭১ সালে রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেয়া ট্রুডোর বয়স এখন ৪৯ বছর।

বেশ কিছু বিষয়ে সামান্য জনপ্রিয়তা কমলেও দেশ পরিচালনার দায়িত্ব আবারও এই তরুণ রাজনীতিকের হাতেই তুলে দিয়েছেন কানাডার মানুষ। অর্থাৎ কানাডায় এখনও সবার ভরসার জায়গাতেই আছেন ট্রুডো।

২০১৫ সালে তার কানাডার ইতিহাসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে লিবারেল পার্টি। সেসময় দেশের ২৩তম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন ট্রুডো।

জো ক্লার্কের পর তিনি কানাডার দ্বিতীয় কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বাবা পিয়ের ট্রুডোও ছিলেন কানাডার এক সময়ের প্রধানমন্ত্রী।

অটোয়াতে জন্ম নেওয়া ট্রুডো তরুণ বয়স থেকেই লিবারেল পার্টির সমর্থক। বাবার মৃত্যুর পর রাজনীতিতে তিনি আরও বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০১৫ সালে ক্ষমতায় এসে মধ্যবিত্তদের জন্য রাজস্বের হার কমানো আর ধনীদের ক্ষেত্রে কর বাড়ান তিনি।

কোভিডকালে কড়াকড়ি আর ভ্যাকসিন বাধ্যতামূলক করায় জাস্টিন ট্রুডোর জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে। তবে তার নীতি সফল, বলছেন বিশ্লেষকরা। কানাডা কম কোভিড সংক্রমিত দেশগুলোর একটি।

জাস্টিন ট্রুডো পড়াশোনা করেছেন ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়া তিনি পড়েছেন মন্ট্রিয়ালের ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০৫ সালে সোফি গ্রেগরিকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির রয়েছে তিন সন্তান। যার মধ্যে ছেলে সবার বড়, তারপর এক মেয়ে আর পরে আরেক ছেলে।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন