বাণিজ্য ডেস্ক :
স্বস্তির পরিবেশ অস্থির করাই যেন ভোগ্যপণ্যের বাজারের মূল লক্ষ্য। কয়েক সপ্তাহ ধরেই স্থিতিশীল বাজারে আবারও আলোচনায় চিনি। এ ছাড়া চোখ রাঙানি দিচ্ছে অন্যান্য পণ্যের দামও। দাম বাড়ার খবরে চিন্তিত ক্রেতা-বিক্রেতারা।
কয়েক দফা দাম বাড়িয়েও অস্বাভাবিক চিনির বাজার। রমজানের আগে ঠিক হওয়া নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। চিনির দাম কেজিতে ৫ টাকা বাড়লেও সরবরাহ স্বাভাবিক হবে না বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। উল্টো ডিলার পর্যায় থেকে দাম আরও বৃদ্ধির আভাস রয়েছে বলেও জানান তারা।
তারা বলছেন, চিনি আমদানিতে আমদানিকারক ও ডিলারদের সঙ্গে সরকারের সমঝোতায় আসতে হবে। এ ছাড়া বাজার স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
আর ক্রেতারা বলছেন, বাজারে কোনো পণ্যের দাম কমতির দিকে নেই। এর জন্য দৈনন্দিন চাহিদা অনুযায়ী ব্যয় করা যাচ্ছে না। দাম কমাতে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান তাদের।
এদিকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে শুক্রবার ব্রয়লার ১৬০ ও সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৬০ টাকা। এক দিনের ব্যবধানে দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, খামার থেকে পর্যাপ্ত মুরগি না আসায় দাম বেড়েছে।
তবে বাজারে তুলনামূলক কম মাছের দাম। তারপরও দেখা দিয়েছে ক্রেতা সংকট।
বিক্রেতারা জানান, বাজারে মাছের দাম কম থাকলেও ক্রেতা নেই। বাজারে শোল ৬০০ টাকা ও মাগুর মাছ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ টাকায়। আর আইড় ৫০০ টাকা এবং বাতাসি মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া বাজারে সবজির দাম রয়েছে স্থিতিশীল। আর বাজারে মোটা ও সরু চাল বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।
