আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল আগামী সপ্তাহে বেইজিং সফর করবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর শনিবার (১০ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানায়। খবর রয়টার্সের।
এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানায়, পূর্ব এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয়বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড্যানিয়েল ক্রিটেনব্রিঙ্ক এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে চীন ও তাইওয়ানের সিনিয়র ডিরেক্টর লরা রোজেনবার্গার আগামী ১১ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চীন, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান সফর করবেন।
জানা যায়, আগামী বছর চীন সফর করবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ায় আয়োজিত জি-২০ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। যদিও ফলপ্রসূ আলোচনা সম্ভব হয়নি। আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ককে একটি ‘নতুন শীতল যুদ্ধে’ ছড়িয়ে পড়া থেকে রোধ করা।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানায়, প্রতিনিধিদল ব্লিঙ্কেনের সফরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা এবং সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো অনুসন্ধান করবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা সম্প্রতি মন্তব্য করে বলেছেন, চীন অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে এবং তার দৃঢ় কূটনীতির কারণে এশিয়া মহাদেশে তার স্থান ক্রমাগত হারাচ্ছে। এ জন্যই বেইজিং ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক গড়ার লক্ষ্যে এ সফরের আয়োজন করেছে।
হোয়াইট হাউসের ইন্দো-প্যাসিফিক সমন্বয়কারী কার্ট ক্যাম্পবেলের মতে, চীন সম্প্রতি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জিরো কোভিড নীতি গ্রহণ করে। এর ফলে দেশটি চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়। এ কারণে দেশটি চাইছে, বহির্বিশ্বে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে।
তিনি আরও বলেন, বেইজিং ওয়াশিংটনের সঙ্গে আরও স্থিতিশীল সম্পর্ক খুঁজছে।
