হোম জাতীয় চার মাসেও শুরু হয়নি নাটোর হাসপাতালের আইসিইউ ভবনের নির্মাণকাজ

জাতীয় ডেস্ক :

চুক্তিবদ্ধ হওয়ার চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো নাটোর সদর হাসপাতালের কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ও আইসিইউ ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া পাঁচ বছরেও দেড়শ শয্যার আরেকটি নতুন ভবন নির্মাণের কাজও শেষ করতে পারেনি আরেক ঠিকাদার। এতে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস গণপূর্ত বিভাগের।

চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি নাটোর সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং আইসিইউ ভবন নির্মাণে চুক্তিবদ্ধ হয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসবিসি প্রাইভেট কোম্পানি ও এসটি ট্রেডিং করপোরেশন। কিন্তু চুক্তিবদ্ধের চার মাস পেরিয়ে গেলেও নির্মাণকাজ এগোয়নি। মোবাইলে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ২০১৭ সালের ২৭ জুন নাটোর সদর হাসপাতালের দেড়শ শয্যার নতুন ভবনের কাজ শুরু হলেও এখনো কাজ শেষ করতে পারেনি আরেক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মীর হাবিবুল আলম ও মাহবুব ব্রাদাস। এতে বহির্বিভাগ ও আন্তঃবিভাগে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগীদের।

হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে রোগীর স্বজনরা জানান, বেড সংকটের কারণে মেঝেতেই পড়ে থাকতে হচ্ছে রোগীদের। এ ছাড়া, সময়মতো চিকিৎসকরাও আসেন না। এতে চমর ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। নতুন ভবন চালু হলে দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে বলে আশা তাদের।

এ অবস্থায় ভবনগুলোর নির্মাণ শেষ হওয়া নিয়ে সংশয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নাটোর সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. পরিতোষ কুমার রায় বলেন, ‘এখানে চিকিৎসা নিতে আসা অধিকাংশ রোগী মেঝেতে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। নতুন ভবনগুলো আমরা যদি সঠিক সময়ে পেতাম, তাহলে রোগীদের আরও উন্নত সেবা দেয়া সম্ভব হতো।’

এদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানায় স্থানীয় গণপূর্ত অধিদফতর।

নাটোর গণপূর্ত অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার দেব বলেন, ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজে গাফিলতি করছে। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার।’

কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ও আইসিইউ ভবনের নির্মাণকাজের জন্য প্রায় ১১ কোটি টাকা এবং দেড়শ শয্যার নতুন ভবনের জন্য প্রায় ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন