নিউজ ডেস্ক:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ চলছে। আজ রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের ২ নম্বর গেটসংলগ্ন জোবরা গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়।
ইটের আঘাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনসহ অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, সকাল থেকেই সেনাবাহিনী দেখতে পেয়েছি। তবে এক ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালিয়ে তারা চলে গেছেন। এরপরই দুপুর ১২টার দিকে এই সংঘর্ষের শুরু হয়। তারা সুষ্ঠু সমাধান চান। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তারা সফল হননি।
এর আগে, শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে বাসার দারোয়ান কর্তৃক মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়, যা রাতভর চলতে থাকে। এতে আহত হন বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।
গুরুতর অবস্থায় প্রায় ১২ জন শিক্ষার্থীকে চট্টগ্রাম মেডিক্যালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির দুই শিক্ষক আহত হন। আহত শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে সকল পরীক্ষা বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
চবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন বলেন, ‘চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই পরীক্ষার্থী ছিলেন। সবার কথা বিবেচনা রেখেই আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।’