আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ঘোষিত হলো কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার নির্ঘণ্ট। কলকাতায় একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেন কলকাতা বইমেলার সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিপ কুমার চট্টোপাধ্যায় এবং সভাপতি সুধাংশু শেখর দে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাষ্ট্রদূত খসে মারিয়া রিদাও গোমিনগেজ।
৪৬তম আন্তর্জাতিক এই বইমেলার উদ্বোধন হবে ৩০ জানুয়ারি। মেলা চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেলার উদ্বোধন করবেন। ৪৬তম এ মেলার এবারের থিম ‘কান্ট্রি স্পেন’। এর আগে ২০০৬ সালেও একবার স্পেন থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশ নিয়েছিল। ফলে এবারের আয়োজনে স্পেনকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে। কলকাতার অদূরে সল্টলেকে বইমেলা প্রাঙ্গণে ৪৬তম কলকাতা বইমেলা বসবে।
এ ছাড়া প্রতিবছরের মতো এবারও প্রাণের এই মেলায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। গত বছরের মতো এবারও প্রায় চার হাজার স্কয়ার ফুটের প্যাভিলিয়ন পেতে পারে বাংলাদেশ। এ ছাড়াও কয়েকটি বাংলাদেশি প্রকাশনী সংস্থা আলাদা করে বইমেলায় অংশ নিতে পারে বলেও আয়োজকরা আশা প্রকাশ করছেন।
প্রতিবছরের মতো এবারও বইমেলায় থাকবে না কোনো টিকিট। মেলা চলবে দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।
বইমেলাকে প্রাণবন্ত করতে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশেষ পরিবহনের ব্যবস্থাও করবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। সম্প্রতি মেট্রোরেল পরিষেবা চালু হওয়ায় নির্বিঘ্নেই কলকাতার মানুষ পৌঁছে যেতে পারবেন বইমেলা প্রাঙ্গণে।
২০২২ সালের কলকাতা বইমেলার থিম কান্ট্রি ছিল বাংলাদেশ। প্রায় ২২ লাখ বইপ্রেমী মেলায় অংশ নিয়েছিলেন। বই বিক্রি হয়েছিল প্রায় ২৩ কোটি টাকার, যা অতীতের সব রেকর্ড ভাঙে।
বইমেলা আয়োজক কমিটির সম্পাদক ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, করোনা মহামারি সত্ত্বেও কলকাতা বইমেলা সফল হয়েছে ২০২২ সালে । তাই এ বছরও একইভাবে বইপ্রেমী মানুষ কাতারে কাতারে শামিল হবেন কলকাতার প্রাণের এই আয়োজনে।
কলকাতা বইমেলা আয়োজক কমিটির সভাপতি সুধাংশু কুমার দে জানিয়েছেন, প্রতিবছর নিয়ম করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মেলা উপলক্ষে বই লেখেন। এ বছরও বেশ কয়েকটি তার লেখা বই প্রকাশ পাবে বইমেলায়।
