হোম অর্থ ও বাণিজ্য ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পি কে হালদারের লুটপাটে সর্বস্বান্ত ইন্টারন্যাশনাল লিজিং

বাণিজ্য ডেস্ক :

জমে থাকা কয়েক মাসের ‘মাসিক সুদভিত্তিক আমানতের’ (এমআইআর) দুই মাসের সুদের টাকা পরিশোধ করেছে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। ফলে যারপরনাই খুশি এর গ্রাহকরা।

কোম্পানিটির দেয়া তথ্যানুসারে, অক্টোবর মাসে মোট ১ হাজার ২৫ জন গ্রাহককে দেয়া হয়েছে জুন ২০২১-এর মাসিক সুদভিত্তিক আমানতের ২ কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজার ১০২ দশমিক ৯১ টাকা এবং জুলাই ২০২১-এর মাসিক সুদভিত্তিক আমানতের ২ কোটি ১১ লাখ ৬৮ হাজার ১৬৫ দশমিক ৫৪ টাকা।

অর্থাৎ, মোট ৪ কোটি ২৬ লাখ ৪৩ হাজার ২৬৮ দশমিক ৪৫ টাকা দুই মাসের সুদ হিসাবে দেয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, আগের জমে থাকা ২৪ মাসের সুদ ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হচ্ছে।

দেশের নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। ২০১৫-২০১৯ সময়ের মধ্যে আর্থিক কেলেঙ্কারির কারণে ক্ষতি হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠনের পথে রয়েছে।

তারই ধারাবাহিকতায় ইন্টারন্যাশনাল লিজিং মাসিক আয় প্রকল্পের (এমআইআর) দুই মাসের সুদের টাকা পরিশোধ করে।

উল্লেখ্য, ১ জুন ২০২০ থেকে পরিচালনা পর্ষদ ও প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিয়ে উত্তরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন হাইকোর্টের নিয়োগ দেয়া বর্তমান চেয়ারম্যান এন আই খান। এক সময়ের অত্যন্ত সফল এই প্রতিষ্ঠানটি আজ টিকে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ও গতিশীলতা ত্বরান্বিত করতে বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে।

পি কে হালদার ইন্টারন্যাশনাল লিজিংসহ চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অন্যতম মালিক ও ঋণের বড় সুবিধাভোগী। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০টি প্রতিষ্ঠানের নামে বের করে নেয়া ২ হাজার ২৯ কোটি টাকার মধ্যে ১ হাজার ৫৯৬ কোটি টাকার সুবিধাভোগী পি কে হালদার ও তার সহযোগীরা। পি কে হালদার এখন ভারতের জেলে, অন্যদের কেউ দেশের জেলে। আর অনেকেই দেশছাড়া, কেউ আবার বহাল তবিয়তে।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন