হোম অর্থ ও বাণিজ্য গো-খাদ্যের দাম বাড়লেও, বাড়েনি দুধের দাম

বাণিজ্য ডেস্ক:

দফায় দফায় গো-খাদ্যের দাম বাড়লেও; গরুর দুধের দাম না বাড়ায় বিপাকে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে খামারিরা। এতে খরচ কমাতে দেশীয় ও নেপিয়ার ঘাসকে সাইলেজ করে খাওয়ানোর পরামর্শ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার রেশমবাড়ি এলাকা। এখানকার প্রায় ১ হাজার ৫০০ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত গোচারণ ভূমিতে সারাদিন সবুজ ঘাস আর লতাপাতা খায় হাজার হাজার দুগ্ধজাত গাভী। প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠায় এখানকার গরুর দুধের গুণগত মান ভালো।

উপজেলার রেশমবাড়ী ছাড়াও রাওতারা, পোতাজিয়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকার জুড়ে গড়ে উঠেছে ছোট বড় প্রায় ৪০টি গরুর বাথান ও ছোট বড় ১৩ হাজার খামার। আর এই বাথান থেকেই প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে দুইবেলা দুধ সংগ্রহ করেন খামারিরা। এখান থেকেই মিল্কভিটাসহ বেশ কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দুধ সংগ্রহ করে থাকে।

তবে খামারিদের অভিযোগ, দফায় দফায় গো-খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে লোকসান হচ্ছে তাদের। ক্রমাগত লোকসানের মুখে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক খামার।

খামারিরা বলেন, গরুর খাবার, ওষুধসহ অন্যান্য আনুসঙ্গিক উপদানের দাম বেশি। তবে দাম নেই গরুর দুধের। প্রতি লিটার দুধ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৪০ টাকায়, যা হওয়া উচিত অন্তত ৭০ টাকা। এতে গরু লালন-পালন করে লোকসান হচ্ছে।

এদিকে দুধের উৎপাদন খরচ কমাতে খামারিদের দানাদার খাদ্যের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে দেশীয় ঘাস ও নেপিয়ার ঘাসকে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাইলেজ করে খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার গৌরাংগ কুমার তালুকদার।

তিনি বলেন, কৃষকরা সাইলেজের ওপর নির্ভরশীল হতে পারলে উৎপাদন খরচ প্রায় ৫০ শতাংশ কমানো সম্ভব হবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় প্রতিদিন প্রায় ১৮ লাখ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা।

Khaleda

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন