খেলাধূলা ডেস্ক :
লিওনেল মেসির আগুনে পুড়ছে সৌদি আরব। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক মেসি ম্যাচের শুরু থেকেই সৌদির জালকে নিজের প্রিয় জায়গা বানিয়ে নিয়েছেন। ম্যাচের ১০ মিনিটে এক গোল দিয়ে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে গোল করেছিলেন আরেকটিও। তবে অফসাইডের কাটায় বাতিল করা হয় সেই গোল। যদিও এরপরই আরেকবার বল জালে জড়িয়েছে আর্জেন্টিনা। এবার লাউতারো মার্টিনেজ জালে বল জড়িয়েও সেই একই অফসাইডের কারণে হতাশ হতে বাধ্য হন।
খেলার দ্বিতীয় মিনিটে ১২ গজ দূর থেকে মেসির বাম পায়ের শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন সৌদি আরবের গোলরক্ষক আল ওয়াইস। বাম প্রান্ত দিয়ে অ্যানহেল ডি মারিয়া বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে বল পাস দেন লাউতারো মার্টিনেজকে। তবে তিনি বল গোলমুখে রাখতে ব্যর্থ হন। সেই মুহূর্তে পেছন থেকে এসে শটটি নেন মেসি।
এরপর আবারও আক্রমণে সৌদিয়ানদের ব্যতিব্যস্ত করে রাখে আর্জেন্টিনা। এরমধ্যে খেলার ৮তম মিনিটে কর্ণার পায় লে আলবিসেলেস্তেরা। সেখান থেকে বল আর্জেন্টাইনদের পায়ে থাকতেই আচমকা বাঁশি বাজায় রেফারি।
স্লোভেনিয়ার এই কোচ ভিএআর চেক করে আর্জেন্টিনাকে পেনাল্টি দেন। মেসি কর্ণার কিক নেওয়ার সময় সৌদির ডিফেন্ডার বুলাইয়াহি ডি-বক্সের মধ্যে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফেলে দেন। আর তাতে পেনাল্টি পেয়ে সেখান থেকে সহজ গোলে দলকে এগিয়ে দেন মেসি।
বিশ্বকাপের মঞ্চে এটি মেসির সপ্তম গোল। আর ৪ গোল হলে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলের মালিক হবেন সাত বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই তারকা। আর্জেন্টিনার ইতিহাসে দ্বিতীয় বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে গোল পেলেন মেসি।
এরপর ২২ এবং ২৭ তম মিনিটে আরও দুইবার সৌদির জালে বল জড়িয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে অফসাইডে বাতিল হয় সেই দুই গোল।
