আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
সৌদি আরবের অন্যতম রফতানিযোগ্য পণ্য খেজুর। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩শ’র বেশি জাতের খেজুর রয়েছে। যার বেশিরভাগই রফতানি করা হয়। এমনকি করোনাকালেও এর চাহিদা ছিল বিশ্বব্যাপী। খেজুর বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন হাজার হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক।
সৌদি আরবের বিশাল জায়গাজুড়ে হচ্ছে বিভিন্ন জাতের খেজুর। বছরের মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা বাড়লে তা গাছ থেকে নামিয়ে প্রক্রিয়াজাত করতে হয়। একেক প্রজাতির খেজুর সংরক্ষণ করা হয় একেকভাবে।
বিভিন্ন দেশের পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরাসরি বাগান থেকে খেজুর সংগ্রহ করে নিজ নিজ দেশে পাঠানোর উপযোগী করে তোলেন। এদিকে সৌদি বাগান মালিকদের কাছ থেকে বার্ষিক লিজ নিয়ে খেজুরের ব্যবসা করে লাভবান হচ্ছেন অনেকে প্রবাসী বাংলাদেশি। পাশাপাশি বাগানগুলোতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকে।
খেজুরকে গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিণত করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এর মধ্য দিয়ে দেশটির ‘ভিশন-২০৩০’-এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য জাতীয় বিনিয়োগ এবং বিশ্বে রফতানি বাড়াতে সহায়তা করছেন তারা।
সৌদি কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাতে সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া জানায়, ২০২১ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খেজুর রফতানি করেছে দেশটি। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, ১১৩টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেজুর উৎপাদন করে সৌদি আরব। গেল বছর দেশটি বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের খেজুর রফতানি করেছে।
