জয়দেব চক্রবর্ত্তী, কেশবপুর (যশোর) :
যশোরের কেশবপুরের গড়ভাঙ্গা-বাটবিলা সড়কের দু পাশে মৎস্য ঘের করায় রাস্তা যেন খালে পরিনত হয়েছে। রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল দুরে থাক মানুষ পায়ে হেঁটেও চলাচল করতে পারে না। শীর্ষক সংবাদ দৈনিক সংকল্পে ১১ জুন সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর গত কাল ১২ জুন শনিবার সকালে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন সরেজমিন পরিদর্শণে যান।
এ সময় তিনি প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা পেয়ে সড়কের দু পাশের মাছের ঘের ব্যবসায়ীদের সড়ক থেকে তিন ফিট দুরে ভেড়ি নির্মাণের নির্দেশ দেন। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাঁজিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল,ইউপি মেম্বার আব্দুল আহাদ আল বাহার।
প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের জন্য প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষকে ২০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে কেশবপুর হয়ে সাতক্ষীরা-যশোর ও ঢাকায় যেতে হয়। গড়ভাঙ্গা বাজার হয়ে বাটবিলা পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার রাস্তাটি দ্রুত পাকা করণ করা হলে প্রায় ১৫ টি গ্রামের মানুষ চরম দূর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে। রাস্তা দিয়ে চলাচল কারি গ্রাম গুলো হলো গড়ভাঙ্গা, বেলকাটি, মাদারডাঙ্গা,সাগরদত্তকাটি,বাকাবর্শী, ইমাননগনর, ব্যাসডাঙ্গা, মনিরামপুর উপজেলার বাটবিলা, আসাননগর, কুশখালি, ঝিরেডাঙ্গা, হরিনা, কোনাখোলা, দূর্বাডাঙ্গা ও নেহালপুর এলাকার মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে।
বর্ষা মৌসুমে রাস্তা উপর ৬/৭ ফুট পানি জমে থাকে। নৌকায় করে মানুষ , গরু ও ছাগল পারাপার হয়ে থাকে। গড়ভাঙ্গা গ্রামের সাইফুর রহমান সানা বলেন, দীর্ঘদিন রাস্তার দু পাশে দুইটি মৎস্য ঘের করায় ঘেরের কবলে পড়ে উভয় অঞ্জলের মানুয় চলাচলে চরম দূর্ভোগে পড়েছে। দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মনিরামপুর উপজেলার বাটবিলা গ্রামের অলোক মণ্ডল বলেন, আমি পত্রিকা পরিবেশক। প্রতিদিন আমাকে অতিরিক্ত ৭/৮ কিলোমিটার পথ ঘুরে চিনাটোলা বাজার হয়ে কেশবপুরে আসা-যাওয়া করতে হয়। ইটের সোলিং দেওয়া রাস্তাটি শুধুমাত্র মাছের ঘেরের ভেড়ি বাঁধের কারনে চলাচল করা একবারে বন্দ হয়ে গেছে।
পাঁজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফ$াত হোসেন মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, সরোজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে দুই ঘের মালিককে নোটিশ করা হয়েছে। ঘেরের ভেড়ি বাঁধের কারনে রাস্তাটি নিচু হয়ে যাওয়ায় উঁচু করে রাস্তাটি করতে হবে।
