হোম অন্যান্যসারাদেশ কেশবপুরে পৈর্তৃক সম্পত্তি জেলা পরিষদের দাবি করে হয়রানির অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা

স্টাফ রিপোর্টার, কেশবপুর (যশোর) :

কেশবপুওে পের্তৃক সম্পত্তি জেলা পরিষদের দাবি করে একের পর এক হয়রানি করার ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন কেশবপুরের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত ছবেদ আলী মোড়লের ছেলে মিজানুর রহমান জানান, ৭২ নম্বর আলতাপোল মৌজার এস এ রেকডিয় মালিক দাদা পঞ্চাই মোড়লের নামে সাবেক ১৩১ দাগের ১৫ শতক জমি রেকর্ড হয়। দাদা পঞ্চাই মোড়লের মৃত্যুর পর পিতা ছবেদ আলী মোড়লের নামে সাবেক ১৩১ দাগের ও হাল ৮৫২ দাগের ০.০৬০৪ একর জামি বুজারত ৫৩৫ নং খতিয়ানে রেকর্ড প্রস্তুত হয়। এর পর পিতা মৃত ছবেদ আরী মোড়লের নিকট থেকে নালিশী সম্পত্তির মধ্য থেকে ০.০২৪৮ একর জমি গত ১৩/০৮/২০১৩ ইং তারিখে ওয়ারেশ সুত্রে ৪১৮ নং দানপত্র দলিল মুলে মিজানুর রহমানের নামে বহাল হয়। এবং আপত্তি কেচের মাধ্যমে ১৭৯৪ নং ডিপি খতিয়ান ভুক্ত হয়। এ সম্পত্তির উপর বসতবাড়ি বিদ্যমান ।

প্রতিপক্ষ জেলা পরিষদ সাবেক ১৩০ দাগের সম্পত্তির মালিক হলেও মিজানুর রহমানের রেকর্ডিয় ও দখলিয় ১৩১ দাগের সম্পত্তির মধ্য থেকে ০.০১০০ একর জমি আপিল স্তওে কর্তন করে নেয়। এ ঘটনায় মহামান্য বিজ্ঞ হাইকোট আদালতে ৩৭৫/১৪ নং রিট মামলা করেন। এ ঘটনায় মহামান্য হাইকোর্ট আদালত দু পক্ষের শুনানী শেষে মিজানুর রহমানের অনুকলে রায় প্রদান করেন। নালিশি ১৩০ দাগের আংশিক সম্পত্তি পাশ্ববর্তী সাবেক সাবেক ১২৯,১৩১ ও ১৩২ দাগেমদ্যে ভুক্ত করে চলমান জরিপে রেকর্ড করা হয়। জেলা পরিষদ তাদের নিজস্ব সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন খতিয়ানের বিপরীতে আপত্তি কেস দাখিল করে পরাজিত হয়।

অতঃপর সংশ্লিষ্ট আপীল কেসের বিপরীতে ৪২(ক) বিধি মোতাবেক রেকর্ড সংশোধনের জন্য মিস কেস দায়ের করে এবং মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের ভিত্তিতে প্রতিপক্ষ জেলা পরিষদের ২/২ নং ভিপি খতিয়ান হতে হাল ৮৫২ দাগের ০.১০০ একর জমির মালিক হন এবং নিজ ১৭৯৪ খতিয়ান ভুক্ত কওে রেকডর্য়ি মালিক হলেও জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আশরাফ হোসেন বাদী হয়ে গত ২৭/০৬/২২ ইং তারিখে মিজানুর রহমানের রেকর্ডিয় জমির উপর ১৪৪/৪৫ ধারা জরি করায় বিজ্ঞ আদালতের মাদ্যমে।

প্রতিকার প্রার্থনা কারি জমির মালিক মিজানুর রহমান জানান, হয়রানির হাত থেকে বাঁচার জন্য তিনি যশোর পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বোরহান উদ্দিন জানান, এ ধরনের কোন অভিযোগ বা তার কোন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আশরাফ হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় বক্তব্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।

সম্পর্কিত পোস্ট

মতামত দিন